নিজস্ব প্রতিবেদক: নগরীর ২৯ নম্বর ওয়ার্ডস্থ কাশিপুর ইছাকাঠি প্রধান সড়কের প্লান বহিভূতভাবে নির্মান করা হয়েছে বসত বাড়ি,দেয়াল। এ ক্ষেত্রে মানা হয়নি বিসিসি’র বিল্ডিং কোড বা ইমারত নির্মানের কোনো বিধিমালা। তার মধ্যেই আবার ভবনের পাশে চলাচলের রাস্তার দখল করে সীমানা প্রাচীর নির্মানের অভিযোগ রয়েছে। ফলে প্রতিনিয়ত আশেপাশের প্রতিবেশীদের সাথে সৃষ্টি হচ্ছে নানান ধরনের দ্বন্দ। সূত্র বলছে, মৃত নুরুল হক করীমের স্ত্রী হাসিনা বেগম বছর পূর্বে বিসিসি’র সাবেক মেয়র আহসান হাবিব কামাল বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেন।
ওই অভিযোগ পত্রে উল্ল্যেখ করেন,সিটি কর্পোরেশনের প্লান বহির্ভূতভাবে টিনসেট বিল্ডিং,সিমানা প্রাচির নির্মান করা সহ রাস্তার তিন ফিট যায়গা না রেখে প্রবেশ রাস্তার উপর বিল্ডিং নির্মাণ করে। যার ফলে তার নির্মিত ভবনের জানালা,সানসেট রাস্তার উপর থাকায় যাতায়াত করা খুবই কস্ট সাধ্য হচ্ছে। অন্যদিকে সিটি কর্পোরেশনের ড্রেনের উপর নিয়ম বহির্ভূতভাবে দেয়ালসহ ঘর নির্মাণ করে। হাসিনা বেগমের অভিযোগ পাওয়া মাত্র বিসিসি ৭ দিনের আল্টিমেটাম দেয় ওই ভবন মালিক নুরুল ইসলাম খাঁনকে।
পরবর্তীতে বিসিসি কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় অধরায় রয়ে যায় অভিযোগ পত্রটি । দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ায় ভুক্তভুগী পরিবারটি ঘুরছে পত্রিকা অফিস গুলোতে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ওই এলাকার বাসিন্দা সাবেক সেনা সদস্য পরিচয়দানকারী মোঃ নুরুল ইসলাম খাঁন বেশ বছর পূর্বে একটি টিনসেট বিল্ডিং নির্মান কারেন। বিসিসি নিয়মানুযায়ী ভবন নির্মানের ক্ষেত্রে পার্শ্ববর্তী ভবনের সাথে মাঝে অন্তত ১ মিটার দুরত্বে জায়গা ফাঁকা রেখে ভবন নির্মাণ করতে হবে। কিন্তু ভবন নির্মানের সময় সে নিয়ম না মেনেই অবৈধভাবে বাস ভবনটি নির্মান করা হয়েছে। ভবনের পেছনের অংশে বসবাসকারি হাসিনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ‘নুরুল ইসলাম খাঁন আমদের চলাচলের রাস্তাটিও দখল করে রেখেছেন।
তিনি আমাদের চলাচলের প্রধান সড়কের ওপর দেয়াল নির্মান করে ভোগান্তি সৃষ্টি করছেন। ওই দেয়ালটি নির্মান হওয়ায় প্রতিনিয়ত দ্বন্দ লেগেই রয়েছে। এ প্রসঙ্গে ভবন মালিক নুরুল ইসলাম খাঁন বলেন, চলাচলের যে রাস্তা দখলের অভিযোগ উঠেছে সে রাস্তার মধ্যে আমার জমি রয়েছে । সিটি কর্পোরেশনের কিসের প্লান,এ আমি বুঝিনা আমি বয়স্ক মানুষ,আমার জমিতে আমি ঘর উডাইছি আর সিটি কর্পোরেশনের লোকজনতো আমার জমির উপর দিয়া ড্রেন নেছে, এই বলে তিনি মুঠো ফোনটি কেটে দিন। এ প্রসঙ্গে সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী খান মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি অনেক পূর্বের হওয়ায় আমার জানা নেই। তবে খোজ নিয়ে মেয়র মহাদয়ের সাথে আলাপ করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে ।
এদিকে স্থানীয়রা বলছেন, ‘বর্তমান সিটি মেয়র দায়িত্ব গ্রহনের পরে শুধুমাত্র নগর ভবনেই নয়, গোটা নগর জুড়ে শৃঙ্খলা ফিরেছে। এরই মধ্যে প্লান বর্হিঃভুতভাবে নির্মান করা বহুতল ভবনের অবৈধ অংশ ভেঙে ফেলেছে নগর কর্তৃপক্ষ। ফলে অবৈধ ভবন মালিকদের মধ্যেও বিরাজ করছে উচ্ছেদ আতংক। কিন্তু তার মধ্যে কাশিপুর ইছাকাঠি প্রধান সড়কে প্লান বর্হিঃভুতভাবে নির্মিত বাড়ির মালিকের রাস্তা দখলের পায়তারা সাধারণ মহলকে ভাবিয়ে তুলেছে। তারা এই বিষয়ে সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র প্রতি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply