মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৫:১৯

শিরোনাম :
উজিরপুরে ক্লাস চলাকালে মাথায় পড়লো ছাদের পলেস্তারা, শিক্ষক আহত কালো ধোঁয়ায় দমবন্ধ জীবন, টায়ার রিসাইক্লিং প্লান্টে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান! পটুয়াখালী ৮ লাখ টাকা মূল্যের ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় মহাসড়কে বিক্ষোভ ও অবরোধ তথ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ভাজা ইলিশ-রসমালাইয়ে আপ্লুত মার্কিন রাষ্ট্রদূত যে দুই বিষয়ে বেশি ফেল করেছে শিক্ষার্থীরা তীব্র গরমের সঙ্গে লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি, অতিষ্ঠ বরিশালবাসী! বরিশাল বোর্ডে ১৫ প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাস, ৫ বিদ্যালয়ে সবাই ফেল বরিশাল বিভাগে পাসের হারে শীর্ষে পিরোজপুর! এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ: বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ

পটুয়াখালীতে মাছের চড়া দামে অতিষ্ঠ ক্রেতা

dynamic-sidebar

সুনান বিন মাহাবুব, পটুয়াখালী ॥ পটুয়াখালী মাছের বাজার ইলিশ শুন্য হওয়ায় বর্তমানে অন্য মাছের দাম বেশি নিচ্ছে মাছ বিক্রেতারা। কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে রুই, পাবদা, গলদা চিংড়ি, কই, সরপুঁটি, তেলাপিয়া, পোয়াসহ বেশকিছু মাছের দাম বেশ চড়া দাম লক্ষ করা গেছে।

স্থানীয় কয়েকজন ক্রেতার সাথে কথা বলে জানা যায়, কিছুদিন যাবত মাছের অতিরিক্ত দামের কারনে তারা মাছ কিনতে পারছে না। স্বল্পমল্যের প্রতিকেজি মাছের দাম পূর্বের তুলনায় ২০০-৩০০ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের চড়া দামের কারণ জানতে চাইলে আরত মালিকরা বলেন, ইলিশ বিক্রি বন্ধ। এখন অন্য মাছের চাহিদা বাড়ছে। হঠাৎ চাহিদা বাড়ার কারণে বাজার একটু চড়া।
রুই প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩৫০ টাকায়। যা অন্য সময় বিক্রি হত ২৩০-২৫০ টাকায়, চাষের কই কেজি প্রতি ৭০ টাকা বেশি দরে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি কাতল বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়। যা অন্য সময় ৩০০ টাকায় বিক্রি হত। পোয়া মাছে কেজি প্রতি ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বেশি নেয়া হচ্ছে। প্রতি কেজি পোয়ার দাম ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা। এক কেজি গলদা চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায়। যা আগের তুলনায় ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বেশি।

এ প্রসঙ্গে আরেক মাছ ব্যবসায়ী বলেন, অবরোধের সময়ে সাগর ও নদীতে মাছ ধরা বন্ধ রাখতে মৎস্য বিভাগের পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, র‌্যাব, কোস্টগার্ড এবং নৌ বাহিনীর সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করছে। এ কারনে ইলিশ ধরা নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে সঙ্গে বরফকলগুলোও বন্ধ রাখা হয়েছে। এ কারণে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকা অভ্যন্তরীণ জলাশয়ে চাষ করা মাছ পরিবহন করা যাচ্ছে না। মাছের চাহিদা বেশি কিন্তু সরবরাহ কম। আর এ কারণেই দামটা একটু বেশি।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net