মঙ্গলবার, ৪ঠা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৬:১৪

মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক রেখেই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান

মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক রেখেই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান

dynamic-sidebar

মিয়ানমারের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক অব্যাহত রেখেই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান করতে চায় সরকার। এ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই কূটনৈতিক তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে মিয়ানমারের ওপর চাপ তৈরিতে ব্যাপক তৎপর হলেও দেশটির সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্কে যেন কোনো সমস্যা না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক রয়েছে সরকার।

সরকার ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকরা জানান, শুরু থেকেই বাংলাদেশের অবস্থান কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করা। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েই রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারকে বাধ্য করতে আন্তর্জাতিকভাবে চাপ দিতে বিশ্বের কাছে আহ্বান জানানো হচ্ছে। জাতিসংঘের অধিবেশনে বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকারের এ অবস্থানের ফলে ইতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলেও মনে করছেন ওই নীতিনির্ধারকরা।

বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) মিয়ানমারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা থাউং টুন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলীর বৈঠকে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে দেশটি। এ বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অবিলম্বে সহিংসতা বন্ধ করতে বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঁচ দফা প্রস্তাবের ভিত্তিতে সমস্যার সমাধান হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

এ প্রস্তাবে মিয়ানমারের উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয়ভাবে আলোচনায় বসতে চান তারা। আলোচনার জন্য মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর বা কার্যত প্রধানমন্ত্রী অং সান সু চির প্রতিনিধি ঢাকায় আসতে পারেন বলেও সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে।

জাপানের নিকি এশিয়ান রিভিউ পত্রিকাকে গত বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) দেওয়া সাক্ষাৎকারে অং সান সু চি বলেছেন, কিছু শরণার্থীকে ফেরত নিতে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করতে প্রস্তুত রয়েছেন তিনি। যেকোনো সময় এ প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশে শরণার্থীদের পালিয়ে যাওয়ার কারণ খুঁজে বের করারও চেষ্টা চলছে।

 

তবে মিয়ানমারের সর্বশেষ এ অবস্থানকে সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করছে সরকার। সমস্যার সমাধান বের হয়ে না আসা পর্যন্ত চলমান কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রাখা হবে।

সরকারের নীতিনির্ধারকরা জানান, মিয়ানমার থেকে অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়ে যে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে এসেছেন, তারা সে দেশের নাগরিক। তাদেরকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর লক্ষ্য নিয়েই কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মিয়ানমারের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্কও অব্যাহত থাকবে। মন্ত্রীরাও

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net