, ,

শিরোনাম :
‘দরকষাকষি করে ঘুষ নেওয়া’ সেই ভূমি কর্মকর্তাকে বদলি বরিশালে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান : ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ আগৈলঝাড়ার ওসি মাসুদ খান বরিশাল জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত অধ্যক্ষের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ, ক্ষমা চাইলেন শিক্ষার্থীরা বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট করার উদ্যোগ বরিশালের প্রথম সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের যাত্রা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল ইসলামী আন্দোলন নেতার পদ স্থগিত! আবাসন সংকটে বরিশালের চার সরকারি কলেজের ৯৭ শতাংশ শিক্ষার্থী উজিরপুরে চলন্ত বাসের চাকা ফেটে দুর্ঘটনা, চালকসহ আহত ৭

‘দরকষাকষি করে ঘুষ নেওয়া’ সেই ভূমি কর্মকর্তাকে বদলি

dynamic-sidebar

খবর বরিশাল ডেস্ক ::

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাচড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. বজলুর রহমানকে বদলি করা হয়েছে। খতিয়ানের তথ্য সরবরাহের নামে অর্থ দাবি ও গ্রহণের অভিযোগে কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর তাকে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের রাজস্ব শাখা থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। আদেশে তাকে সাচড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে সাচড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে খতিয়ানের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে অর্থ দেওয়ার অভিযোগ তোলেন স্থানীয় বাসিন্দা সবুজ মুসলমান।

 

 

অভিযোগকারী সবুজ মুসলমান জানান, গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সাচড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দাগ নম্বর দিয়ে এসএ খতিয়ান খুঁজতে যান তিনি। এ সময় অফিস সহায়ক হিসেবে পরিচয় দেওয়া মো. রাকিব তাকে জানান, খতিয়ান খুঁজে দিতে কয়েক দিন সময় লাগবে এবং কাজটি ঝামেলার। একপর্যায়ে কিছু টাকা দিলে খতিয়ান খুঁজে দেওয়ার কথা বলেন তিনি। পরে সার্চিং ফি হিসেবে রাকিবকে ৩০০ টাকা দেন সবুজ। এরপর ১৮টি খতিয়ানের তথ্য পাওয়া যায়।

সবুজ জানান, ওই খতিয়ানগুলোর কপি পাওয়া যাবে কি না জানতে চাইলে দেওয়া যাবে বলে জানান রাকিব এবং তাকে রোববার অফিসে যেতে বলেন। সেদিন অফিসে গেলে ইউনিয়ন উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা বজলুর রহমান জানান, ওই খতিয়ান দেওয়ার নিয়ম তাদের নেই। তবে প্রতিটি খতিয়ানের জন্য ২০০ টাকা করে মোট ১ হাজার ৮০০ টাকা দিলে তা দেওয়া সম্ভব বলে জানান তিনি। এ নিয়ে ‘দরকষাকষির’ একপর্যায়ে ১ হাজার ৫০০ টাকা দাবি করেন ওই কর্মকর্তা।

 

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net