শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১০:৫৯

শিরোনাম :
বরিশালে ১০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার সবাইকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন বণিক বার্তার জেলা প্রতিনিধি এম মিরাজ হোসাইন ভোলার সঙ্গে ঢাকা ও বরিশালের সরাসরি মহাসড়ক নির্মানের সিধান্ত প্রধানমন্ত্রীর গৌরনদীতে বিষপানে কিশোরী গৃহবধূর মৃত্যু, স্বামী পলাতক রাক্ষুসি আড়িয়াল খাঁ নদীর ভাঙনে একদিনে ১০ বাড়ি বিলীন তফসিলের আগেই বরিশাল সিটিতে আগাম ভোটের আবহ দুপুরে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন নতুন ছয় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শ্রদ্ধা সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন রাষ্ট্রপতি জোটের শরিক থেকে মন্ত্রিসভায় পার্থ, ভোলায় আনন্দ মিছিল
রোহিঙ্গা ইস্যু: মিয়ানমার ও বাংলাদেশের সমঝোতায় যা আছে!

রোহিঙ্গা ইস্যু: মিয়ানমার ও বাংলাদেশের সমঝোতায় যা আছে!

dynamic-sidebar

রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট নিরসনে ২৩ শে নভেম্বর বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে একটি সমঝোতা হয়েছে। এই সমঝোতাকে চুক্তি বলা হচ্ছে না। বলা হচ্ছে অ্যারেঞ্জমেন্ট। দুই দেশের স্বাক্ষরিত এই দলিলে উল্লেখিত কিছু শর্ত:

৯ই অক্টোবর ২০১৬ এবং ২৫শে আগস্ট ২০১৭ – এর পরে বাংলাদেশে আশ্রয়গ্রহণকারী ‘বাস্তুচ্যুত রাখাইন রাজ্যের অধিবাসীদের’ ফেরত নিবে মিয়ানমার। দলিল স্বাক্ষরের দুই মাসের মধ্যে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হবে।

সমঝোতা দলিল স্বাক্ষরের তিন সপ্তাহের মধ্যে দুই দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হবে এবং মাঠ পর্যায়ে প্রত্যাবাসনের শর্তাবলী চূড়ান্ত করা হবে।

দুই পক্ষই রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা UNHCR-এর সহায়তা নিতে সম্মত হয়েছে। বাংলাদেশ এখনই এই সংস্থাটির সহায়তা পাবে। মিয়ানমার প্রয়োজন অনুযায়ী UNHCR কে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় যুক্ত করবে।

প্রত্যাবাসনকারীদের নাগরিকত্ব পরিচয় যাচাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে। প্রক্রিয়ায় জটিলতা দেখা দিলে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করবে। ১৯৯২ পরবর্তী প্রত্যাবাসন চুক্তি এক্ষেত্রে যাচাই প্রক্রিয়ার আদর্শ হিসেবে ধরা হবে।

শুধুমাত্র স্বেচ্ছায় মিয়ানমার ফিরতে আগ্রহী প্রত্যাবাসনকারীরা এই সমঝোতার আওতাধীন।

অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় জন্ম নেওয়া (রাখাইনে ধর্ষণের কারণে) শিশুদেরকে বাংলাদেশের আদালতের মাধ্যমে প্রত্যায়িত (সাটির্ফাই) করতে হবে।

প্রত্যাবাসনকারীদের প্রাথমিকভাবে সীমিত সময়ের জন্য অস্থায়ী আশ্রয়স্থলে রাখা হবে।

নাগরিকত্বের প্রমাণ উপস্থাপন করার সাপেক্ষে সকল প্রত্যাবাসনকারীকে ফেরত নেবে মিয়ানমার। সূত্র: বিবিসি

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net