দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে উইন্ডিজকে হারিয়ে সিরিজে সমতা আনলো বাংলাদেশ। আজ মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে সফরকারীদের ৩৬ রানে হারায় স্বাগতিকরা। ২১২ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে উইন্ডিজ ১৯ ওভার ২ বলে সাকিবের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১৭৫ রানে গুটিয়ে যায়। তিন ম্যাচ সিরিজে ১-১ সমতা থাকায় তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি রূপ নিলো অলিখিত ফাইনালে।
টাইগার অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের ঘূর্ণির সামনে অসহায় ছিলেন উইন্ডিজ ব্যাটসম্যানরা। তিনি চার ওভারে মাত্র ২১ রান দিয়ে সফরকারীদের পাঁচ উইকেট তুলে নেন। এ ছাড়া মোস্তাফিজ দুই ও আবু হায়দার, মেহেদী মিরাজ নেন একটি করে উইকেট। উইন্ডিজের হয়ে সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন রভম্যান পাওয়েল। এ ছাড়া শাই হোপ ৩৬, কিমো পল ২৯ ও হেটমায়্যার ১৯ রান করেন।
এর আগে লিটন-সাকিবের অসাধারণ ব্যাটিংয়ে সফরকারীদের সামনে ২১২ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুড়ে দেন স্বাগতিকরা। প্রথম ম্যাচে উইন্ডিজ বোলারদের শর্ট বলে তামিম-লিটনরা আত্মহুতি দিয়েছিলেন কিন্তু আজ খেলেছেন সাবলীল ভাবেই। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্বক ক্রিকেট খেলেন টাইগাররা। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভার ব্যাটিং করে চার উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ২১১ রান।
সর্বোচ্চ ৬০ রান আসে লিটন দাসের ব্যাট থেকে। শুরু থেকেই তিনি মারকুটে খেলা খেলেন। মাত্র ৩৪ বলে ৬টি চার ও চারটি ছয়ের মারে ৬০ রান করেন। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এটি লিটনের দ্বিতীয় অর্ধ-শতক। প্রথম অর্ধশতক উইন্ডিজের বিপক্ষেই করেন তাদের মাটিতে।
কিন্তু সাকিব-মাহমুদুল্লাহর বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ ২০০ পার। ৫ম উইকেটের জুটিতে দুজনের ব্যাট থেকে আসে ৯১ রান। মাত্র ২৬ বলে ৪২ রান করেন সাকিব। মাহমুদুল্লাহর ব্যাট থেকে আসে ২১ বলে ৪৩ রান।
ব্যাট হাতে ব্যর্থ ছিলেন একমাত্র মুশফিকুর রহিম। তিনি ছাড়া বাকি ব্যাটসম্যানরা পেয়েছেন দুই অঙ্কের দেখা। মুশফিক ৩ বলে ১ রান করে ফিরেন সাজঘরে। এ ছাড়া সৌম্য ৩২ ও তামিম ইকবাল ১৫ রান করে সাজঘরে ফিরেন।
মিরপুরে আজ একাদশে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই মাঠে নামেন। শর্ট বলের ভয়কে জয় করে টাইগাররা ব্যাটিং করেন দুর্দান্ত। প্রথম ম্যাচে উইন্ডিজ জেতায় আজ জিততেই হবে টাইগারদের। তিন ম্যাচ সিরিজে ১-১ সমতা থাকায় তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি রূপ নিলো অলিখিত ফাইনালে। ২২ তারিখ শনিবার এই মাঠেই অনুষ্ঠিত হবে শেষ ম্যাচ। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকেল পাঁচটায়।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply