অনলাইন ডস্কে// বরিশাল সদর উপজেলাধীন ৭নং চরকাউয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের নয়ানী গ্রামে মেয়ের বাড়িতে আয়োজিত বাল্যবিবাহটি বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) মোঃ মোস্তফা কামাল হায়দার এর হস্তক্ষেপে বন্ধ করা হয়।
এলাকাবাসী জানান একই গ্রামের মৃতঃ কেরামত সিকদারের ছেলে মোঃ ইমন সিকদার(২০)এর সাথে মোসাঃ তানিয়া আক্তার(১৬) প্রেমের সম্পর্ক থাকায় দু পক্ষের সমন্বয়ে বিবাহর আয়োজন করে। পরে স্থানীয় মেম্বর মোঃহালিম মুন্সী সহ বন্দর থানার এ এস আই মোঃ তরিকুল ইসলাম এবং এ এস আই মোঃআনোয়ার সহ, কয়েকজন কনস্টবল নিয়ে ঘটনাস্তলে যায়। ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়ায় এই বিবাহ বন্ধ করে দেয়।
পরে ১৮ বছরের আগে বিয়ে দিবেন না -এই মর্মে মেয়ের পিতা মাতার কাছ থেকে মুচলেকা নেয়া হয়েছে। জানা গেছে মোসাঃতানিয়া আক্তার চরকাউয়া ইউনিয়নের নয়ানী আজাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এস এস সি পরীক্ষার্থী ও ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা।পরে ছেলের বাড়িতে আইনশৃংখলা রক্ষাবাহিনি গিয়ে গায়ে হলুদের আয়োজন দেখতে পেয়ে তা ভেঙে দিয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধ করেন।
এ সময় আইনশৃংখলা রক্ষাবাহিনি দুই পক্ষকে সমন্বয় করে বাল্যবিয়ের কুফল সম্পর্কে অবহিত করেন। মেয়ের বাবা জালাল খান সব শুনে তার ভুল বুঝতে পারেন এবং মেয়েকে পড়ালেখা করিয়ে উপযুক্ত বয়সে বিয়ে দিবেন বলে অঙ্গীকার করেন। এই মর্মে দুই পক্ষের কাছ থেকে মুচলেকা নেয়া হয়।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply