নদী পথকে নিরাপদ রাখতে রাতের বেলায় মালবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশপাশি আগামী ১ জুন থেকে ৮ জুন পর্যন্ত দিনের বেলায় বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ রাখার জন্যও বলা হয়েছে। এছাড়াও নৌরুটে জাল ফেলা বন্ধ করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানানো হয়।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে বিশেষ সমন্বয় সভায় এ সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এজন্য নৌপুলিশ, কোস্টগার্ডসহ সবাইকে তৎপর থাকার জন্য বলা হয়েছে।
এছাড়াও সভায় লঞ্চে ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন না করা, ভাড়া না বাড়ানো, লঞ্চের চালক-মাস্টারদের জায়গায় যাত্রী পরিবহন না করা, প্রতিযোগিতায় লিপ্ত না হওয়া, সরু চ্যানেলে (মিয়ারচর) পাশাপাশি দু’টি লঞ্চ চলাচল না করা, নদী তীরের সিগনাল বাতিসহ সাংকেতিক চিহ্ন ঠিক রাখা এবং নদীর মধ্যে কোনো লঞ্চ না থামানোর বিষয়ে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল নদী বন্দর, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল ও রূপাতলী বাস টার্মিনাল এলাকায় ঈদের আগে ও পরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা জোরদার করা হবে। এসব জায়গা ঘিরে নৌপুলিশ, মেট্রোপলিটন পুলিশ, র্যাব সদ্যসরা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। অপরদিকে দুর্ঘটনা বা অসুস্থজনিত কারণে যাত্রীদের উদ্ধার ও হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের টিম মাঠপর্যায়ে কাজ করবে।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান বলেন, যাত্রীদের সঙ্গে বিশেষ করে নারী যাত্রীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা যাবে না। এজন্য পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতাদের কঠোর হতে হবে। এমনকি বাসে নারী যাত্রীদের ওঠানোর সময় যেভাবে হাত ধরে টানাটানি করা হয়, তা থেকেও বিরত থাকতে হবে। যাত্রীরা যাতে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন সেদিকে সবার সমন্বিতভাবে চেষ্টা চালাতে হবে।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply