মঠবাড়িয়া ( পিরোজপুর) প্রতিনিধিঃপিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বিদ্যুৎ সংযোগকে ঘিরে চলছে অনিয়ম,দুর্নীতি ও ঘুষ বানিজ্য।পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা — কর্মচারী ও দালালচক্রের কাছে জিম্মি শত শত গ্রাহক।ঘুষ না দিলে বছরের পর বছর ঝুলে থাকে সংযোগ।
মঠবাড়িয়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসকে ঘিরে গড়ে উঠছে এক শ্রেনীর দালাল চক্র।দ্রততম সময়ে তার, খুঁটি,মিটার ও সংযোগ পাইয়ে দেয়ার আশ্বাসে নিরীহ গ্রাহকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।দিন দিন বাড়ছে ভূক্তভোগীর সংখ্যা।
সরেজমিনে মঠবাড়িয়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,পল্লী বিদ্যুতের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা – কর্মচারীর দুর্নীতি আর লুটপাটের ফলে সরকারের সাফল্য ম্লান হয়ে গেছে।দক্ষিন সোনাখালীর নবি হোসেন,গোলাম মোস্তফা,ওয়াদুদ ও আবু সালেহ’র কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়েও এখন পর্যন্ত সংযোগ না দেওয়ায় দূর্ভোগ পোহাচ্ছেন এ গ্রাহকরা।টাকা না দেওয়ায় খুলে নেওয়া হয়েছে ট্রান্সমিটার। সাপলেজার সিজান মেকারের মাধ্যমে গ্রাহকদের নিকট থেকে আদায় করা হয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা। খাম্বা মিলন এর মূল হোতা।
উপজেলার দক্ষিন সোনাখালী ও বাদুরতলী গ্রামের ১৯৭ নং লর্ডের ১৪৮ জন গ্রাহকের লাইনম্যান প্রলাদ সরকার জানান,” উক্ত সংযোগ লাইন উদ্বোধনের সময় গ্রাহকরা মিলন নামে এক দালালের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছিল। পরে কি হয়েছে তা আমি জানি না।”
স্হানীয় সমাজ সেবক আলমগীর হোসেন জানান,”দক্ষিন সোনাখালী ও বাদুরতলী সংযোগ লাইন উদ্বোধনের সময় কিছু গ্রাহক দালালের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেণ।এম পি সাহেব অভিযোগ শুনে দালালকে গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে বলেন এবং সাপলেজা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা সুলতান মাহমুদ ও মজিবুর রহমান মোল্লাকে বিষয়টি দেখতে বলেন।কিন্তু দালাল টাকা ফেরত না দিয়ে অভিযোগকারী গ্রাহকদের তার পরের দিনই বিদ্যুৎ সংযোগ পাইয়ে দেন।”
এ ব্যাপারে পল্লী বিদ্যুৎ মঠবাড়িয়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম)জুলফিকার রহমান জানান,”নতুন বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য ১’শ টাকার ফরম,৪’শ টাকা জামানত ও ২০ টাকা সদস্য ফিস ছাড়া সবই অতিরিক্ত।অভিযোগ পেলে ব্যবস্হা নেওয়া হবে।”
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply