, ,

শিরোনাম :
কার্যক্রম নিষিদ্ধ বানারীপাড়া আ.লীগের ১০ নেতার জামিন নামঞ্জুর বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে অ্যাম্বুল্যান্স-মাহিন্দ্রা সংঘর্ষে নিহত ১ শিক্ষার্থীদের অর্থ আত্মসাৎ, বরিশালের সেই নার্সিং কলেজ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা! ফেনসিডিলসহ গ্রেফতারের ১২ বছর পর রায়, দুজনের যাবজ্জীবন পিরোজপুরে গৃহবধূকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার আগৈলঝাড়ায় প্রবাসী স্বামীকে ভিডিও কলে রেখে স্ত্রীর বিষপান সিটিস্ক্যান মেশিনে শুয়ে টেকনিশিয়ানের বিশ্রামের ভিডিও ভাইরাল ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক বিক্রির ৩০ হাজার টাকা উদ্ধার, গ্রেফতার ২ আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ ববি’র পাঁচ শিক্ষার্থী
স্ত্রীকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করলেন সাবেক কনস্টেবল

স্ত্রীকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করলেন সাবেক কনস্টেবল

dynamic-sidebar

অনলাইন ডেস্ক : লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলায় যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূ সালমা আক্তারকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। এতে গৃহবধূর স্বামী সাবেক পুলিশ সদস্য আবুল কাশেমসহ চারজনকে আসামি করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আহত সালমা বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

বাদীর আইনজীবী সৈয়দ মোহাম্মদ শামছুল আলম বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারক মো. শাহেনূর মামলাটি আমলে নিয়েছেন। তিনি মামলাটি তদন্তের জন্য সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রামগতি আদালতের বিচারক কাজী সোনিয়া আক্তারকে নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ১৯ নভেম্বর ধার্য তারিখে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের জন্য বলা হয়েছে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- সাইফুল ইসলাম, নিজাম উদ্দিন ও মো. ফয়েজ আহম্মদ। তারা রামগতি উপজেলার চরপোড়াগাছা গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, উপজেলার চরপোড়াগাছা গ্রামের মৃত শাহে আলমের ছেলে পুলিশ সদস্য আবুল কাশেমের সঙ্গে প্রায় ১০ বছর আগে সালমা আক্তারের বিয়ে হয়।

তাদের সংসারে দুই ছেলে সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর কৌশলে সালমার কাছ থেকে কাশেম ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা ধার নেন। সে টাকা স্বামী এখনো পরিশোধ করেননি। হঠাৎ গত ২৯ আগস্ট সালমার কাছে কাশেম ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। এ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সালমাকে দা দিয়ে কুপিয়ে ও এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত করেন আসামিরা।

সেই সঙ্গে গৃহবধূর পিঠ ও পেটসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ জখম হয়। তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে কাশেম তাকে তালাক দেয়ার হুমকি দেন।

মামলার বাদী সালমা আক্তার বলেন, যারা আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়েছে, তাদেরকে চুরির মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। থানা পুলিশকে প্রভাবিত করে বেপরোয়া কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে আবুল কাশেম। তাই আমি মামলা করেছি।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net