স্টাফ রিপোর্টার : বরিশাল নগরীর কাশীপুর ৩০নং ওয়ার্ডে চাচাতো ভাইদের ফাঁসাতে নিজের ৮০ বছরের বৃদ্ধ মা আছিয়া বেগমকে ব্যবহার করছে আলাউদ্দিন খন্দকার নামের (অবঃ)পুলিশ সদস্য। স্থানীয় ও ভূক্তভোগী সুত্রে জানাযায়,বিসিসি’র ২৮,২৯,৩০ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলর রাশিদা পারভিনের খন্দকার বাড়ীর চাচাতো ভাসুর আলাউদ্দিনের অত্যাচারে স্বামীসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা অতিষ্ঠ।
খন্দকার আলাউদ্দিন তার ৮০ বছরের বৃদ্ধ মা আছিয়া বেগমকে শহিদ পরিবার এর নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন সরকারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে মহিলা কাউন্সিলর রাশিদা পারভিনের স্বামীসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের ভুয়া লিখিত অভিযোগ করেন। যা স্থানীয় ভাবে সংবাদ কর্মীরা সরেজমিনে তদন্ত করতে গেলে উল্টো অভিযোগ কারী আলাউদ্দিন খন্দকার ও স্ত্রী নিলা বেগম ৮০ বছরের বৃদ্ধ মা আছিয়া বেগমকে ঘড়ে তালা মেরে বন্দী অবস্থায় রেখেছে বলে সংবাদকর্মীরা দেখতে পায়।
৮০ বছরের বৃদ্ধ মা আছিয়া বেগমকে কেন ঘড়ে তালা দিয়ে আটকিয়ে রাখা হয়েছে। সংবাদকর্মীরা আলাউদ্দিন খন্দকার এর স্ত্রী নিলা বেগকে প্রশ্ন করলে সাংবাদিকদের উপর চড়াও হন। এরপর আলাউদ্দিন খন্দকার যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন তাদের মধ্যে কেরামত আলী খন্দকার এর কাছে যানতে চাইলে তিনি জানান, আলাউদ্দিন খন্দকার আমাদের চাচাতো ভাই। আমরা একই বাড়িতে বাস করি। কিন্তু চাচাতো ভাই আলাউদ্দিন খন্দকার শহিদ পরিবারের সাইন বোর্ড ব্যবহার করে আমাদের পরিবাররকে প্রতিনিয়ত হয়রানী করে আসছে।
কিন্তু তার মা, ছেলে আলাউদ্দিন ও ছেলের বউ নিলা বেগমের হাত থেকে বাঁচতে চায়। ৮০বছরে বৃদ্ধ চাচি আছিয়া বেগম ছেলে ও ছেলে বৌয়ের অত্যাচারে ১২ বছর যাবত আমার ঘরে বসবাস করেন। এছাড়া আলাউদ্দিন বিভিন্ন সময় একাধিক মামলা দিয়েও হয়রানী করছে আমার পরিবারের সদস্যদের। আবার নতুন করে সাংবাদিক ভাইদের মাধ্যমে শুনতে পারলাম এবার নাকি মেয়র সাহেব, পুলিশ কমিশানার, র্যাব-৮ এর অধিনায়ক,বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালক ঢাকা এর বরাবর আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে।
আমার চাচাতো ভাই আলাউদ্দিন খন্দকার ও তার মায়ের হাত থেকে বাচতে সকল প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি ।তারা শুধু শহিদ পরিবারের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে আমাদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে আসছে।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply