, ,

শিরোনাম :
ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ছাত্রদল নেতা দল থেকে বহিষ্কার সুগন্ধা নদীর ভাঙন : নিঃস্ব শত পরিবার, ঝুঁকিতে বাবুগঞ্জ বাজার-বিমানবন্দর পটুয়াখালীর গলাচিপায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ১৩৫ লিটার চোলাই মদ ও গাঁজাসহ পিতা-পুত্র আটক একসঙ্গে ৬৮ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার করল সরকার নাশকতার মামলায় আ’লীগের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা, বাকেরগঞ্জে চাঞ্চল্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ বাংলাদেশের ওষুধে ১০০ শতাংশ শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা ট্রাম্পের নাপা ছাড়া মিলছে না ডেঙ্গুর চিকিৎসা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ মেহেন্দিগঞ্জে ভয়াবহ নদীভাঙন, কয়েক দিনে বিলীন অসংখ্য ঘর ও দোকান

বরিশাল থেকে বের হওয়া ও প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

dynamic-sidebar

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ শেষ পর্যন্ত টনক নড়েছে বরিশাল প্রশাসনের।জেলায় বাইর থেকে মানুষ প্রবেশের ওপরে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়ার রহমান। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় তিনি এ নিষেধাজ্ঞ জারি করেন।শহরে প্রবেশের সব পথে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। এর ফলে অন্য কিছু জেলার মত বরিশালও লকডাউন পরিস্থিতিতে সামিল হল।

 

 

সোমবার বিকাল থেকেই প্রশাসন হার্ড লাইনে ছিল। এরপর শেবাচিম করোনা ইউনিটে এক ব্যক্তির মৃত্যুর পর যেন পুরো বরিশাল কেঁপে ওঠে। মানুষও আগের চেয়ে সতর্ক হয়ে উঠে। সতর্ক বলার চেয়ে তাদের মধ্যে আতংক ভর করে। ১৬ মার্চ দেশের সব স্কুল কলেজ বন্ধ ঘোষনার পরও বরিশালে করোনা নিয়ে তেমন একটা সতর্কতা লক্ষ করা যায়নি। ছোটদের মধ্যে ছিল বড় ছুটির বাধ ভাঙ্গা উল্লাস।অভিভাবকরা আবার সন্তানদের লেখাপড়ার জন্য কোচিং এ পাঠানো শুরু করেন। উদ্যান বা মাঠগুলোতে বিকালে ছিল উপছে পড়া ভিড়। দলে দলে খেলায় মত্ত, বা পায়চারী আড্ডা।

 

 

হাট বাজার দোকান সব ছির উন্মুক্ত।এরপর প্রশাসন মাঝে মধ্যে দু এক জায়গায় হানা দিলেও তারাও খুব একটা একশনে যায়নি। এক কথায় ছটির আমেজ ছিল সর্বত্র। এরপর ২/৩টি কোচিং সেন্টারে হানা দেয়া হল। আর যখন বন্ধ হল অফিস আদালত, শেবাচিমে একদিনে ২জন করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেল, তখন নড়েচড়ে বসে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী।বন্ধ করে দেয়া হয় প্রায় সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। তারপরও রাস্তা ঘাট অলিগলিতে মানুষের আনাগোনা ছিল চোখে পড়ার মত। রবিবার থেকে সারা দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যু বৃদ্ধি পেতে থাকে, বরিশালের প্রশাসনও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে।সোমবার বিকেল থেকেই রাস্তায় ব্যাপক একশন শুরু করে পুলিশ। মোড়ে মাড়ে পুলিশ আটকে দিতে থাকে সব ধরনের গাড়ি। এমনকি রিকসা, অটো, মটর সাইকেল সব। সন্ধ্যায় শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মারা যান সদ্য ভর্তি হওয়ায় এক ব্যাংকার।মুহুর্তের মধ্যে তা বরিশালে ছড়িয়ে পড়ে।

 

রাস্তায় যাও ২/১জন ছিল তারাও আতঙ্কে ঘরমুখো হয়।প্রশাসনের পক্ষে রাতেই মাইকিং করা হয়। ঘর থেকে বাধ্য না হলে বের হতে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। মসজিদে মসজিদে মাইকিং করে ঘরে নামাজ পড়ার আহবান জানানো হয়। মৃত ব্যক্তিসহ জেলায় একাধিক বাড়ি লকডাউন করা হয়। এমনকি এলাকায় এলাকায় কিছু যুবক লাঠি হাতে রাস্তায় নেমে আসে। যারা ঘোরাঘুরি করছিল, তাদের ঘরে যেতে বাধ্য করা হয়। পুলিশের মটর সাইকেল বহর সারা শহর দাপিয়ে বেড়ায়। কয়েকজনকে দু/চার ঘা দেয়াও হয়। বন্ধ করে দেয়া হয় চায়ের দোকানও।

 

এরই মাঝে মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসক অজিয়র রহমান ফেসবুক পেজে বরিশালে কাউকে না ঢোকার নির্দেশ জারি করে তিনি লেখেন, বরিশালবাসীকে রক্ষার জন্য এ নির্দেশ দিতে বাধ্য হলাম। নির্দেশ লংঘনকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। অর্থাৎ বরিশাল কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ল অন্যান্য জেলা থেকে।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net