শামীম আহমেদ ॥বরিশাল নগরীতে প্রতিবন্ধি,বয়স্ক ও বিধবা ভাতার টাকা নেয়ার গ্রাহকদের শারিরীক সু-রক্ষা ও দুরুত্ব বজায় রাখার লাইন ঠিক রাখতে ম্যাজিস্ট্রেট ও র্যাব সদস্যদের দারুন বেগ পোহাতে হয়। এসকল গ্রাহকরা এখনো অনেক অসচেতনতার ভিতর রয়েছে এদের মধ্যে বৃদ্ধদের মুখে মাক্স থাকলেও অধিকাংশ গ্রাহকদের মুখে দেখা যায়নি মাক্স। এরা পালন করছেন না শারিরীক দুরুত্ব বজায় রাখার নিয়ম।
আজ বৃহস্পতিবার (৭ই) মে নগরীর চৌ -মাথা হাতেম আলী কলেজ সংলগ্ন সরকারী সোনালী ব্যাংক থেকে নগরীর ত্রিশটি ওয়ার্ডের প্রতিবন্ধিদের ভাতা সহ বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুরের ইউনিয়নের পাঁচটি ওয়ার্ডের বিধবা ও বয়স্কদের ভাতার টাকা উত্তোলনের জন্য জড়ো হয়।
এসময় উক্ত সড়কদিয়ে যাবার সময় জেলা প্রশাসকের ভ্রাম্যমান মোবাইল আদালতের বিচারক এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাজমুল হুদা ও ভ্রাম্যমান আদালতের আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রনের কাজে নিয়োজিত র্যাব সদস্যরা বয়স্ক ব্যাক্তিদের শারিরীক সু-রক্ষার দুরুত্ব বজায় রাখার জন্য হ্যান্ড মাইক দিয়ে বলে তাদেরকে কোন রকম শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে সক্ষম হয়। এবং সবাইকে নিজেদের সু-রক্ষা নিয়ম পালন করে ভাতার টাকা উত্তোলন করার আহবান জানান এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নুরুল হুদা।
এসময় হাতেম আলী কলেজ শাখা সোনালী ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপক মনির হোসেন বলেন নগরীর ত্রিশটি ওয়ার্ডের প্রতিবন্ধি ও সদর উপজেলার কড়াপুরের বিধবা সহ বয়স্ক ১ হাজার ৫ শত ব্যাক্তিদের আজ তাদের ভাতার টাকা পরিশোধ করার সময় বাধা রয়েছে।
তাই সিমিত আকারের ব্যাংকে স্থান সংকোলন থাকার কারনেই রাস্তায় লাইন দিয়ে এদের টাকা বিতরন করা হচ্ছে। এদের ভিতর প্রতিবন্ধিরা জন প্রতি পাচ্ছেন ২ হাজার ২ শত ৫০ টাকা। অন্যদিকে বিধবা ও বয়স্ক ব্যাক্তিরা পাচ্ছেন জন প্রতি ১ হাজার পাঁশত টাকা।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply