, ,

শিরোনাম :
বরিশাল অঞ্চলে বিদ্যুৎ ঘাটতি পুনরায় চাহিদার ৪০ ভাগের ওপরে এক দশকে বরিশালে হারিয়েছে ১ হাজারের বেশি পুকুর ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ছাত্রদল নেতা দল থেকে বহিষ্কার সুগন্ধা নদীর ভাঙন : নিঃস্ব শত পরিবার, ঝুঁকিতে বাবুগঞ্জ বাজার-বিমানবন্দর পটুয়াখালীর গলাচিপায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ১৩৫ লিটার চোলাই মদ ও গাঁজাসহ পিতা-পুত্র আটক একসঙ্গে ৬৮ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার করল সরকার নাশকতার মামলায় আ’লীগের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা, বাকেরগঞ্জে চাঞ্চল্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ বাংলাদেশের ওষুধে ১০০ শতাংশ শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা ট্রাম্পের নাপা ছাড়া মিলছে না ডেঙ্গুর চিকিৎসা
বরিশালে লকডাউন শিথিল হওয়ায় সাধারন মানুষের অসচেতনতা বৃদ্ধি!

বরিশালে লকডাউন শিথিল হওয়ায় সাধারন মানুষের অসচেতনতা বৃদ্ধি!

dynamic-sidebar

নিজস্ব প্রতিবেদক॥করোনা সংক্রামন এড়াতে গত ২৫দিন ধরে লকডাউন চলছে বরিশালে। কিন্তু মানুষজনের চলাচলের কারনে লকডাউন অনেকটা অকার্যকর হয়ে পড়েছে।কিছু দোকান ব্যতিত নগরীর অনেক এলাকায় কৌশলে খোলা রাখা হচ্ছে দোকানপাঠ-ব্যবসা বানিজ্য। দিন দিন রাস্তায় বাড়ছে মানুষ এবং যানবাহনের সংখ্যা।

 

 

 

আনুষ্ঠানিকভাবে খোলার আগেই খুলছে দোকান।আগে জেলা প্রশাসন লকডাউন বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করলেও এখন অনেকটাই শিথিল তাদের কার্যক্রম। লকডাউন বাস্তবায়নে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কড়াকড়িও কমে গেছে। অবাধ চলাচল রোধে তাদের কোন ভূমিকা দেখা যায় না।গত ১২ এপ্রিল প্রথমবারের মতো বরিশালে দুইজন করোনা রোগী সনাক্ত হওয়ায় ওই দিন রাত থেকে নগরী সহ পুরো জেলা লকডাউন ঘোষনা করে জেলা প্রশাসন।গত ২৫ দিনে বরিশাল নগরী সহ পুরো বিভাগের করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১২৫জন মানুষ।

 

 

 

এই সময়ে মারা গেছেন করোনা আক্রান্ত ৭জন। অথচ দিন দিন ঢিলেঢালা হচ্ছে লকডাউন। উপেক্ষিত হচ্ছে স্বাস্থ্য বিধি। তবে করোনা নিয়ে জনসচেতনতা বেড়েছে বলে দাবী জনগনের।প্রথম দিকে লকডাউন বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর থাকায় মানুষজনও অনেকটা ঘরে উঠে যায়। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া তেমন একটা ঘর থেকে বের হয়নি কেউ। কিন্তু ধীরে ধীরে মানুষজন অসিহষ্ণু হয়ে পড়েছে। তাদের অনেকে প্রয়োজন মেটাতে পারছেনা বদ্ধ ঘরে। এ কারনে রুটিরুজি সহ নানা প্রয়োজনে ঘর থেকে বেড়িয়ে আসছে মানুষ। খুলতে শুরু করেছে দোকানপাঠ।

 

 

বানিজ্য মন্ত্রনালয় ১০ মে থেকে থেকে দোকান খোলা রাখতে বললেও তার আগে থেকেই নানা কৌশলে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন দোকানীরা।গতকাল নগরীর চৌমাথা এলাকার সোনালী ব্যাংকে বয়স্ক ও বিধবা ভাতার টাকা উত্তোলন করতে সহস্রাধীক মানুষের ভীর দেখা যায়। প্রায় প্রতিটি সরকারি ব্যাংক, বিশেষ করে সোনালী ব্যাংকে বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তার ভাতা তুলতে মানুষের দির্ঘ লাইন দেখা গেছে।

 

 

বিশেষ করে নগরীর হেমায়েত উদ্দিন রোড, চকবাজার, কাঠপট্টি, বাজার রোড, পদ্মাবতি সহ বিভিন্ন এলাকায় ঈদ বাজারের মতো আমেজ এবং ভীর দেখা গেছে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নগরীর প্রধান প্রধান রাস্তাঘাটের চিত্র দেখলে লকডাউনের সংজ্ঞা নিয়ে সন্দিহনা হয়ে পড়বেন যে কেউ।তবে গতকাল জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে শারীরিক দূরত্ব অনুসরন সহ গনজমায়েত রোধে জনচসেচতনা সৃস্টির লক্ষ্যে মাইকিং করে।ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমূল হুদা বলেন, করোনা সংক্রামন এড়াতে তারা জনগনকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছেন। সচেতন থাকতে বলছেন।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net