, ,

শিরোনাম :
‘গ্রাম পুলিশ হচ্ছে তৃণমূল পর্যায়ের সরকার’: জহির উদ্দিন স্বপন নতুন এমপিওভুক্ত হলেন ৩৭৬ শিক্ষক-কর্মচারী বরিশালে বর্ণাঢ্য আয়োজনে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর উদ্বোধন বরিশাল মহানগরীর উন্নয়নে ৭৩০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন প্রান্তিক পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা ও সেবা নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি স্বপন ঝাড়ফুঁকের নামে কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক, কবিরাজের বিরুদ্ধে মামলা ​বরিশালের সেরা প্যানেল আইনজীবীর সম্মাননা পেলেন অ্যাড. মো: তারিকুল ইসলাম ভ্যানচালকের ঘরে দুটি ‘কবর’ জেগে উঠেছে বলে দাবি, ঝাড়ফুঁক নিতে ভিড় ‘আ.লীগ গোপনে নয়, ওপেনে ঢাকা দখল করবে’ পোস্টের পর ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার ধর্মকে পুঁজি করে রাজনৈতিক ফায়দা বন্ধ করতে হবে: জহির উদ্দিন স্বপন
মানবপাচার চক্রে শাশুড়ি গ্রেপ্তার, জামাই কুদ্দুসকে ধরতে চলছে অভিযান!

মানবপাচার চক্রে শাশুড়ি গ্রেপ্তার, জামাই কুদ্দুসকে ধরতে চলছে অভিযান!

dynamic-sidebar

মাদারীপুরে মানবপাচার ও মুক্তিপণ আদায়ের ভয়াবহ এক মামলায় শাশুড়ি কুলসুম বেগমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ইতালি পাঠানোর নামে ৪০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া ও একজন যুবককে লিবিয়ায় আটকে নির্যাতনের অভিযোগে এ মামলা ঘিরে এখনো পলাতক মূল অভিযুক্ত তার জামাই কুদ্দুস রহমান। তাকে ধরতে চলছে পুলিশের ব্যাপক অভিযান।

মাদারীপুরের এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। বিদেশে ভালো চাকরি ও উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচার চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ ও মামলার নথি অনুযায়ী, মানবপাচারের এই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে নাম এসেছে শিবচর উপজেলার বাঁশকান্দি গ্রামের কুদ্দুস রহমানের। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ভুক্তভোগী এক যুবককে সরাসরি ইতালি পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেন। এই প্রক্রিয়ার বিনিময়ে ২০ লাখ টাকা চুক্তি করা হয়।

পরবর্তীতে ভুক্তভোগীকে সৌদি আরব হয়ে লিবিয়ায় নেওয়া হয়। সেখানে তাকে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর নির্যাতনের ভিডিও পরিবারের কাছে পাঠিয়ে আরও ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করা হয়। সব মিলিয়ে পরিবারটি ধার-দেনা করে প্রায় ৪০ লাখ টাকা পরিশোধ করলেও গত ছয় মাসেও ওই যুবকের কোনো সন্ধান মেলেনি। পরিবারের আশঙ্কা, তাকে হত্যা করা হতে পারে।

এই ঘটনায় গত ১ জুন ভুক্তভোগীর দুলাভাই বাদী হয়ে মাদারীপুর মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় কুদ্দুস রহমানসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়। আদালতের নির্দেশে পরে মামলাটি মাদারীপুর সদর মডেল থানায় এজাহারভুক্ত করা হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (১৩ জুন) রাতে শিবচর উপজেলার কেরানীবাট এলাকা থেকে কুদ্দুস রহমানের শাশুড়ি কুলসুম বেগমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত কুলসুম বেগম ওই এলাকার সামাদ খানের মেয়ে এবং প্রধান অভিযুক্ত কুদ্দুস রহমানের শাশুড়ি।

গ্রেপ্তারের পর রোববার (১৪ জুন) দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। তবে ঘটনার মূল হোতা কুদ্দুস রহমান এখনো পলাতক রয়েছে।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, মানবপাচার মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে পলাতক কুদ্দুসসহ অন্যান্য আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে পুরো ঘটনায় স্থানীয় এলাকাজুড়ে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। মানবপাচারের মতো ভয়াবহ অপরাধে পারিবারিক সদস্যের সম্পৃক্ততার অভিযোগ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net