খবর বরিশাল ডেস্ক::
বরিশাল নগরীতে ভাড়া বাসা থেকে রুনা আক্তার (২৮) নামে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর ২২ নম্বর ওয়ার্ডের জিয়া সড়ক এলাকার বাইতুন নূর জামে মসজিদসংলগ্ন নতুন রাস্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রুনা আক্তার বরিশাল বিএম কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর স্বামী শাওন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে (ডিএমপি) কর্মরত বলে জানা গেছে।
বাড়ির মালিকের স্ত্রী জানান, চলতি মাসের ১ তারিখ পুলিশে কর্মরত স্বামীর পরিচয় দিয়ে রুনা নিজেই ওই বাসা ভাড়া নেন। তবে বাসা নেওয়ার পর থেকে তাঁর স্বামী শাওন একবারও সেখানে আসেননি। ভিডিও কলের মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে বাড়ির মালিকের পরিবারের যোগাযোগ হয়েছে। বাসা ভাড়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দেওয়ার কথা থাকলেও সেগুলো এখনো দেওয়া হয়নি।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, রুনা আক্তার ও তাঁর স্বামী শাওন পরস্পর মামাতো-ফুফাতো ভাই-বোনের সম্পর্কের আত্মীয় ছিলেন। তাঁদের বিয়ে শাওনের পরিবার মেনে নেয়নি। এ কারণে রুনা বরিশালে পড়াশোনার সুবাদে জিয়া সড়কের ওই বাসা ভাড়া নিয়ে একাই থাকতেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মামুন উল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে সিআইডির সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে মরদেহের বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন এবং মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠান।
রুনা আক্তার কী কারণে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার আগে স্বামী শাওনের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেছিলেন রুনা। এরপরই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করছেন তারা।
এদিকে, রুনার মৃত্যুর খবর শাওনের মায়ের কাছে জানানো হলে তাঁর মা বিষয়টি জানার পর থেকেই তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মো. মামুন উল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। সিআইডির সদস্যরা বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছেন। ময়নাতদন্তসহ তদন্তের পরই রুনা আক্তারের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply