, ,

শিরোনাম :
চরকাউয়া খেয়াঘাটে বিসিসির জরাজীর্ণ ফলক:দ্রুত অপসারণে বিআইডব্লিউটিএ’র চিঠি চীনের বিনিয়োগ বাড়ানো ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির পদোন্নতি নিয়ে বিদায় নিলেন ড. শহীদ হোসেন, নতুন ডিসি আশরাফুল করিম বৃহস্পতিবার ফেনী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরিশাল অঞ্চলে বিদ্যুৎ ঘাটতি পুনরায় চাহিদার ৪০ ভাগের ওপরে এক দশকে বরিশালে হারিয়েছে ১ হাজারের বেশি পুকুর ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ছাত্রদল নেতা দল থেকে বহিষ্কার সুগন্ধা নদীর ভাঙন : নিঃস্ব শত পরিবার, ঝুঁকিতে বাবুগঞ্জ বাজার-বিমানবন্দর পটুয়াখালীর গলাচিপায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ১৩৫ লিটার চোলাই মদ ও গাঁজাসহ পিতা-পুত্র আটক একসঙ্গে ৬৮ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার করল সরকার

চরকাউয়া খেয়াঘাটে বিসিসির জরাজীর্ণ ফলক:দ্রুত অপসারণে বিআইডব্লিউটিএ’র চিঠি

dynamic-sidebar

খবর বরিশাল ডেস্ক  ::

বরিশাল নদী বন্দরের আওতাধীন চরকাউয়া খেয়াঘাটে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) কর্তৃক নির্মিত তোরণ বা ফলকটি বর্তমানে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। চলমান বৃষ্টির কারণে তোরণটির নিচের অংশ সরে গেছে এবং অনবরত পলেস্তারা ও ইটের অংশ খসে পড়ছে।

যেকোনো মুহূর্তে পুরো কাঠামোটি ধসে পড়ে চরাকাউয়া খেয়াঘাটে পারাপাররত হাজারো সাধারণ যাত্রী ও পথচারীদের ওপর পড়ে বড় ধরনের প্রাণহানি বা মারাত্মক দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে জনস্বার্থে ও যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে ঝুঁকিপূর্ণ এই স্থাপনাটি অবিলম্বে দ্রুত অপসারণের অনুরোধ জানিয়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে জরুরি চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ(বিআইডব্লিউটিএ)।

গত (২০ জুলাই) বরিশাল নদী বন্দরের বন্দর নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক পত্রে (নথি নং-১৮.১১.০৬৫১.০৬৯.০৫.০০৪.১৪/১১২৮) এই তাগিদ দেওয়া হয়।

দাপ্তরিক সূত্রে জানা গেছে, চরাকাউয়া খেয়াঘাট দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য সাধারণ যাত্রী ও পথচারী নদী পারাপার হয়ে থাকেন। সেখানে পূর্বে নির্মিত সিটি কর্পোরেশনের ফলকটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। এর আগে গত ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখেও (স্মারক নং- ৬৮০) চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি সিটি কর্পোরেশনকে অবহিত করা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনেও কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নেওয়ায় তোরণটি এখন চরম বিপজ্জনক রূপ নিয়েছে।

বর্তমানে জরাজীর্ণ এই ফলকটি থেকে ক্রমাগত বড় বড় পলেস্তারা ও ইটের অংশ খসে খসে পড়ছে। তার ওপর সাম্প্রতিক বৃষ্টির কারণে তোরণটির নিচের অংশ সরে যাওয়ায় পুরো কাঠামোটি ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে এটি ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় ও যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষ।

বিআইডব্লিউটিএ’র পক্ষ থেকে এই চিঠির অনুলিপি অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক, বরিশালের জেলা প্রশাসক (ডিসি), ঢাকার বিআইডব্লিউটিএ ভবনের বন্দর ও পরিবহন বিভাগের পরিচালক এবং চেয়ারম্যান মহোদয়ের দপ্তরের সমন্বয় কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

নদী পারাপার হওয়া সাধারণ মানুষ ও পথচারীদের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষার্থে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ দ্রুত এই বিপজ্জনক ফলকটি অপসারণ করে চরাকাউয়া খেয়াঘাটকে ঝুঁকিমুক্ত করবে—এমনটাই জোর দাবি স্থানীয় সচেতন মহলের।

 

এবিষয়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) সচিব রুম্পা সিকদার বলেন, “চরাকাউয়া খেয়াঘাটের যাত্রীদের যাতায়াতের পথের ফলকটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে—সেই বিষয়টি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর পক্ষ থেকে আমাদের জানানো হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, জনস্বার্থ ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে,আমরা বিসিসি’র প্রশাসকের সাথে কথা বলে অতিদ্রুত এই সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করবো।”

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net