বৃহস্পতিবার, ৩রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৯:০৪

শিরোনাম :
‘চুরির ভয়ে’ মশারি দিচ্ছে না হাসপাতাল, ডেঙ্গু রোগীর পাশে ঝুঁকিতে অন্যরা টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়া প্রমাণ হলে পদত্যাগ করব: বিভাগীয় কমিশনার ৫০০ শয্যার প্রশাসনিক অনুমোদন মিললেও পূর্ণাঙ্গ সেবা এখনও অধরা পটুয়াখালীতে বাসধাক্কায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর বরিশাল সেটেলমেন্ট অফিসে কী হচ্ছে, একজনের জমি আরেকজনের নামে কীভাবে যাচ্ছে ভোলায় অস্ত্র মামলায় কারাগারে বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা শেবাচিমে জ্বালানি সংকটে জেনারেটর অচল, ব্যাহত অস্ত্রোপচার ইলিশ শুধু দেখার মাছ’ দামের কারণে কিনতে পারছেন না ক্রেতারা মাদকে ঝুঁকছে বরিশালের তরুণরা বর্জ্য মুক্ত সবুজ বরিশাল গড়তে টিআইবি ও বিসিসির যৌথ উদ্যোগ
ডোনার না পাওয়া পর্যন্ত ব্যাগেই থাকবে সেলহার হৃদপিণ্ড

ডোনার না পাওয়া পর্যন্ত ব্যাগেই থাকবে সেলহার হৃদপিণ্ড

dynamic-sidebar

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:ব্রিটেনের বাসিন্দা সেলহা হোসেইনের শরীরে সত্যিকারের কোন হৃদপিণ্ড নেই। সেটি সবসময় থাকে তার সঙ্গের ব্যাগে। শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও এটাই সত্যি।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সালহা হচ্ছেন যুক্তরাজ্যের প্রথম নারী যার শরীরের বাইরে একটি কৃত্রিম হৃদপিণ্ড লাগানো হয়েছে। হৃদপিণ্ডের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার পর ব্রিটেনের চিকিৎসকরা তার শরীরে একটি কৃত্রিম হৃদপিণ্ড লাগিয়ে দিয়েছেন। যতদিন তিনি একজন হৃদপিণ্ডের ডোনার না পাচ্ছেন, ততদিন তাকে এটি বয়ে বেড়াতে হবে।

সালহা হোসেইন বলছেন, ‘আমার মেয়ের বয়স যখন ছয় বছর, একদিন সকালে বুকে ভয়াবহ ব্যথা শুরু হয়। সেই সঙ্গে শ্বাসকষ্ট। আমি বুঝতে পারছিলাম এটা মারাত্মক কিছু হয়েছে।’

‘দ্রুত হাসপাতালের যাওয়ার পর চিকিৎসকরা জানালেন, আমার হৃদপিণ্ড প্রতিস্থাপন করতে হবে। কিন্তু আমি এতটাই অসুস্থ ছিলাম, তারা আমার আমাকে একটি কৃত্রিম হৃদপিণ্ড সংযোজন করে দিতে বাধ্য হয়।’

এই বহনযোগ্য যন্ত্রটি তার শরীরের রক্ত সরবরাহ ঠিক রাখে।

কিন্তু কিভাবে সেটি কাজ করে?

নানা টিউবের মধ্য দিয়ে শরীরের রক্ত এই কৃত্রিম হৃদপিণ্ড এসে পরিশোধিত হয়ে আবার টিউবের মাধ্যমে শরীরে চলে যায়। তার শরীরের ভেতরেও এ রকম প্লাস্টিকের কৃত্রিম হৃদপিণ্ড রয়েছে, যেগুলো সত্যিকারের হৃদপিণ্ডের মতোই রক্ত পাম্প করে শরীরের নানা অঙ্গ প্রত্যঙ্গে পাঠিয়ে দেয়।

সালহার মতো যুক্তরাজ্যে কয়েকশ’ রোগী আছেন, যারা হৃদপিণ্ড প্রতিস্থাপনের জন্য অপেক্ষা করছেন। কিন্তু তাদের সবাই সময়মত ডোনার পান না।

২০১৬ বা ২০১৭ সালে এ রকম অপেক্ষার তালিকায় থাকা ৪০ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তবে কৃত্রিম হৃদপিণ্ড স্থাপনের পর সালহার চিন্তাভাবনায় বড় পরিবর্তন এসেছে।

‘মৃত্যু শয্যায় শুয়ে অনেক কিছুই আমি উপলব্ধি করতে পেরেছি। তার একটি হলো যেসব বিষয় নিয়ে আমরা চিন্তা করি, এই যেমন বয়লার সমস্যা, গাড়ির সমস্যা বা মানুষের সমস্যা, এগুলো আসলে কিছুই না। আমি এখন জীবনকে আরো ভালোভাবে উপলব্ধি করতে শিখেছি’- বলছেন সালহা হোসেইন।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net