নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের প্রতিটি বিভাগ থেকে জেলা পর্যায়ে যখন প্রশাসনের হস্তক্ষেপে চলছে মাদকের জিরো টলারেন্স করার ভূমিকা ঠিক তখনি বরিশালের কিছু অসাধু ব্যাক্তি তাদের নিজেদের আখের গোছাতে বর্তমান যুব সমাজকে ধংশের পথে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে । তাদের হাতে পৌছে দেয়া হচ্ছে মরনব্যাধি নেশা দ্রব্য । টাকা হলেই হাতের নাগালে পৌঁছে যাচ্ছে গাজা,ইয়াবা ফেনন্সিডিল সহ বিভিন্ন মাদক দ্রব। মাদকের এ ভয়াবহ ছোবলে ধংস হচ্ছে যুবসমাজ ।মাদকের নেশায় লন্ডভন্ড হচ্ছে নিন্মবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ব পরিবার । মাদকের ছোবলে অবিভাবকরা তাদের সন্তানদের নিয়ে চরম উদ্বেগ-উৎকন্ঠায় । বর্তমানে প্রশাসনের ব্যাপক অভিযানের কারনে বর্তমানে মাদক ব্যাবসায়ীরা হয়েছেন অনেক সূচতুর। তারা খুব ভালো করেই যানেন যে বরিশালের প্রশাসনে কর্ম্মকর্তারা অনেকটাই মিডিয়া বান্ধব । আর সেই সসুযোগটাই এখন মাদক ব্যাবসায়ীরা নিচ্ছে । কিছু টাকার বিনিময়ে কোনো একটি অনলাইন বা প্রিন্ট পত্রিকার কার্ড বানিয়ে প্রশাসনের সামনে থেকে বুক ফুলিয়ে মাদক বহন করে থাকে ।এরুপ কিছু অসাধু ব্যাক্তি পত্রিকার নাম বহন করে মাদক ব্যবসার চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনি একজন সংবাদকর্মী পরিচয়দানকারীর সন্ধান পাওয়া গেছে ।অনুসন্ধান করে যানা যায় কথিত সেই সংবাদ কর্মীর নাম(মামুন ওরুপে চিটা মামুন) তার বিরুদ্ধে রয়েছে একান্তর অভিযোগ ।আমানতগঞ্জ এলাকার নাইয়া বাড়ির সিদু নাইয়া’র পুত্র মামুন । সুত্র বলছে মামুন একাধীক মাদক মামলার আসামী । সুচতুর মামুন নিজেকে কোনো এক প্রিন্ট মিডিয়ার সংবাদকর্মী পরিচয় দিয়ে থাকেন ।এক সময়ে চিটা মামুনের মুরিদ ছিলো বরিশাল নগরের মাদক সম্রাট বিসিক বাবুল। যেহেতু বিসিক বাবুলকে আইন শৃংখলা বাহিনী আটক করলেও ধরা ছোয়ার বাহিরে থেকে যায় তার সহচর চিটা মামুন । মামুন বর্তমান ক্ষমতাশীন দলের শীর্ষ এক নেতার নাম ভাঙ্গিয়ে চলছে বলে একটি বিশ্বস্থ সুত্র নিশ্চিত করেছে। সুত্র বলছে মামুন মাদক বিক্রি করার জন্যই কৌশালে সংবাদকর্মী পরিচয়ে নগর চুসে বেরাচ্ছে । তবে মামুনের সংবাদকর্মী পরিচয়ে এহেন অবৈধ মাদক বানিজ্য সাংবাদিক মহলে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে? বিসিক বাবুল’র মতো অনেক মুরিদ রয়েছে নগর জুড়ে চিটা মামুনের। এখন দেখার বিষয় এই যে কে এই মামুন ওরফে চিটা মামুনের লাগাম টেনে ধরবে।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply