বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (দোয়ারিকা) সেতু ও উপজেলার কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীভাঙন থেকে রক্ষার দাবিতে বাবুগঞ্জে মানববন্ধন করেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। জাতীয় কৃষক সমিতির উদ্যোগে বৃহস্পতিবার উপজেলার দোয়ারিকা সেতুর ওপরে ঘন্টাব্যাপী ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
কৃষক সমিতির বরিশাল জেলা সভাপতি কমরেড বজলুর রহমান মাস্টারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই মানববন্ধনে এসময় বক্তৃতা করেন জেলা সম্পাদক অধ্যাপক বিশ্বজিৎ বাড়ৈ, কৃষক নেতা কমরেড মোজাম্মেল হক ফিরোজ, এনায়েত করিম ফারুক মাস্টার, ওয়ার্কার্স পার্টির উপজেলা সম্পাদক টি.এম শাহজাহান, শাখা সম্পাদক মোঃ শহিদ হাওলাদার, কাজী শাহ আলম, বদরুল আলম, দেহেরগতি ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা নুরুল বাসার সোহেল, উপজেলা যুবমৈত্রী সম্পাদক হাসানুর রহমান পান্নু, আওয়ামী লীগ নেতা মিলন সরদার, হারুন প্রধান, সরকারি আবুল কালাম ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক সেলিম মাহমুদ, সৈয়দ মোশারফ-রশিদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজা, জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম, রাকুদিয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান তালেব প্রমুখ।
এসময় ওয়ার্কার্স পার্টির শাখা সম্পাদক শহিদ হাওলাদারসহ বক্তারা অভিযোগ করেন, দক্ষিণাঞ্চলে সড়কপথে প্রবেশদ্বারে বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (দোয়ারিকা) সেতুটি ২০০৩ সালে উদ্বোধন করার পর থেকে এর রক্ষণাবেক্ষণে চরম উদাসীনতার পরিচয় দিয়ে আসছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। সেতুতে ল্যাম্পপোস্ট ও সড়ক বাতি লাগানো হলেও দীর্ঘ ১৫ বছরেও এতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়নি। ফলে সেতুতে চুরি-ছিনতাই ও মাদকের অবাধ বাণিজ্য চলছে প্রতিদিন। এদিকে সেতুর পাদদেশের গাইড ওয়াল, বøক পাইলিং ও স্কুলভবন নদী ভাঙনের শিকার হলেও সওজ কিংবা পাউবো কর্তৃপক্ষের টনক নড়েনি।
উল্লেখ্য, সুগন্ধা নদীর ভাঙনে সোমবার বাবুগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সৈয়দ মোশারফ-রশিদা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভবনটি নদীগর্ভে বিলীন হয়। এই বিদ্যালয়ে অদূরে দাঁড়িয়ে থাকা বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (দোয়ারিকা) সেতু এখন রয়েছে চরম ঝুঁকির মুখে। এছাড়াও উপজেলার নদী তীরবর্তী সরকারি আবুল কালাম ডিগ্রি কলেজ, রাকুদিয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মহিষাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply