বুধবার, ১৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৮:৪১

সোমবার সোহরাওয়ার্দীতে ঐক্যফ্রন্টের জনসভা

সোমবার সোহরাওয়ার্দীতে ঐক্যফ্রন্টের জনসভা

dynamic-sidebar

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আগামী সোমবার সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, ওইদিন দুপুর ২টা থেকে ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ শুরু হবে। জনসভা উপলক্ষে তারা পুলিশ কমিশনার ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দিয়েছেন।

এ সময় নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, যারা ভোটগ্রহণ করবেন সেই ডিসি, এসপি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড গঠনের নির্দেশনা না দিয়ে নির্বাচন কমিশন তাদের পক্ষপাতিত্বের দিকেই উসকে দিচ্ছে। নির্বাচন কমিশনে দফায় দফায় ডেকে এনে সেমিনার, প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, সংলাপের নামে বিএনপি প্রার্থীদের হয়রানির নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। অধিকাংশ রিটার্নিং কর্মকর্তা আওয়ামী অনুমোদিত মনোবৃত্তি প্রণোদিত।

তিনি বলেন, তারা খবর পেয়েছেন, আইন মন্ত্রণালয়ে জেলা দায়রা জজদের নিয়ে একটি সভা হয়েছে। সেখানে আইন সচিব নির্দেশ দিয়েছেন- নির্বাচনের আগে তারা যেনো বিএনপির কাউকে জামিন না দেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গ্রেফতার বাড়াতে মনিটরিং সেলও খোলা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের বদলে আসন্ন নির্বাচন আবর্জনাময় হয়ে উঠতে পারে।

রিজভী বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় আওয়ামী লীগের মন্ত্রী মুস্তফা কামালের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে তিনি ক্ষমতাসীনদের ভোট ডাকাতির ভয়াবহ পরিকল্পনা ফাঁস করেছেন। প্রকাশ্যে বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের এলাকাছাড়া করার হুমকি দিয়েছেন।

এ সময় নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে প্রশাসনের সচিব-বিভাগীয় কমিশনার-ডিসি-এসপি এমন ৯২ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে তাদের বদলি ও প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।

রিজভী অভিযোগ করেন, গত বুধবার যুব সমাবেশ আয়োজনের নামে জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজমের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো হয়েছে। নেতাকর্মীরা বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে মিছিল ও মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে সমাবেশে অংশ নিয়েছেন, যা পুরোপুরি নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন।

তিনি বলেন, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর থেকে গ্রেফতারের পরিমাণ বেড়ে গেছে। বুধবার পর্যন্ত বিএনপির ২০০০ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে চাপিয়ে দেওয়া শত শত মামলার বোঝায় নির্বাচনের মাঠ দূরে থাক, ঘরে পর্যন্ত থাকতে পারছেন না ধানের শীষের প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা। যারা ধানের শীষের মনোনয়নপ্রত্যাশী এবং প্রার্থী হয়ে যারা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, এ ধরনের ২৭ জন নেতা মিথ্যা মামলায় এখন কারাগারে আছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যার ডা. এ জেড এম জাহিদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূইয়া প্রমুখ।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net