নিজস্ব প্রতিবেদক : বরিশাল নগরীর ২২ নং ওয়ার্ড জিয়া সড়ক প্রথম গলি এলাকায় আদালতের নির্দেশ অমান্য করে পাকা ভবন নির্মাণ করছে মোঃ সুমন তালুকদার ও তার ভাড়াটে লোকজন। এবিষয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ দেখা গেছে ।স্থানীয়রা বলছে সুমনকে মদদ দিচ্ছে আলমগীর ও ফারুকসহ এলাকার কিছু ভাড়াটে সন্ত্রাসী ।
স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে,২২ নং ওয়ার্ড জিয়া সড়ক প্রথম গলি এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মজিবুন্নেছার সম্পত্তি তার ওয়ারিশগন ভোগ দখল করে আসছিল,কিন্তু তার চার সন্তানের মধ্যে তিন মেয়ে এবং এক ছেলে রয়েছে। কয়েক বছর পূর্বে মজিবুন্নেছার মৃত্যু হলে তার চার মেয়ে তাদের ভাই জাহিদ হোসেন জাহাঙ্গীরকে ছাড়াই মজিবুন্নেছার ২৬৮৫ খতিয়ানের ১৫ শতাংশ জমি আব্দুস সালাম ও মাহাবুবা বেলীর কাছে পাওয়ার অফ এটোনি দিয়ে দেয়,পরবর্তীতে তারা দুজন সেই পাওয়ার অফ এটোনি দিয়ে রুবেল এবং মিন্টু নামের ব্যাক্তিদের কাছে বিক্রি করে,রুবেল ও মিন্টু যৌথ ভাবে ক্রয় করার কিছুদিন পরে আবার তারা সুমন তালুকদার নামের এক ব্যাংক কর্মকর্তার কাছে বিক্রি করে,এদিকে মজিবুন্নেছার ছেলে জাহাঙ্গীর তার মায়ের জমির ওয়ারিশ থাকা সত্ত্বেও তার বোনেরা তাকে তার অংশ থেকে বাদ দিয়ে কিভাবে তারা জমি বিক্রি করে এই প্রসঙ্গে তিনি গত ২৯-০৪-১৯ তারিখে উজিরপুর জেলা দায়রা জজ আদালতের মাধ্যমে উচ্চ আদালত ও বরিশাল বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৩-০৫-১৯ তারিখে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা সূত্রে জানায়ায়, গত (২৮এপ্রিল) রবিবার সকাল আনুমানিক ৯টার সময় সুমন তালুকদারের নেতৃত্বে আলমগীর,ফারুকসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৪/৫ জন প্রকৃত জমির অংশীদার জাহাঙ্গীর ও কিছু সাক্ষীদের হত্যা করিয়া লাশ গুম করে ফেলবে,জনস্মমুখে প্রকাশ্যে তারা হুমকি প্রদান করে। পরবর্তীতে জাহাঙ্গীর ও স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে তখন সেখানে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচারজ তদন্ত মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে বিষয়টি আমলে নিয়ে সকলকে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য অনুরোধ করেন।
পরবর্তীতে আবারো গত ১৫ই মে বৃহস্পতিবার সুমন তার লোকজন নিয়ে জমিতে কাজ করতে গেলে জমির প্রকৃত মালিক জাহাঙ্গীর বাধা দিলে তারা তার উপর চড়াও হয় এবং পরিস্থিতি খারাপ হলে ঘটনাস্থলে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক মোঃ জাকির হোসেন ঘটনাস্থলে এসে শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করেন, এবং কাজ বন্ধ করে রাখতে বলে,তবে সুমন
তালুকদার,আদালত,থানা,স্থানীয় কাউন্সিলর কাউকে তোয়াক্কা না করে টাকার গড়মে তার ভাড়াটে লোকদের নিয়ে কাজ চালিয়েছে।
এরপর আদালত থেকে একের পর এক নোটিশ দিলেও সুমন তালুকদার আদালতের কোনো নির্দেশের তোয়াক্কা না করে সে তার অর্থ ও পেশী শক্তির বলায় কাজ চালিয়ে গেছে। সর্বশেষ ১৩-০৫-১৯ তারিখে বরিশাল বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৪ ধারায় একটি মামলা হলেও সুমন তার অবৈধ বিল্ডিং এর কাজ বন্ধ করেনি। পরবর্তীতে জমির প্রকৃত মালিক মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন জাহাঙ্গীর ফের ০৫-০৯-১৯ তারিখে বরিশাল বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৮৮ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।সূত্র বলছে, প্রথমে ওই জায়গা নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তি এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের মধ্যস্থতায় একটি রোয়েদাদনামার মাধ্যমে সিধ্যান্ত গ্রহন করা হয়েছিল।
Desing & Developed BY EngineerBD.Net
Leave a Reply