, ,

শিরোনাম :
বরিশালে ওজিপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলীকে হুমকি

বরিশালে ওজিপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলীকে হুমকি

dynamic-sidebar

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ বরিশাল মহানগর মুক্তিযুদ্ধা সন্তান কমান্ড কাউন্সিলের সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন রুকু নগর পিতা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র ব্যাক্তিগত ও নিজস্ব লোক পরিচয় বহন করে বরিশাল ওয়েস্টজোন পাওয়ার ওজিপাডিকো বিক্রয় ও বিপননন কেন্দ্র-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী কার্যলয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী অমূল্য কুমার সরকারের কক্ষে প্রবেশ করে নগরের হাসপাতাল সড়কের জনৈক ব্যাক্তির থ্রি-ফেইজ বিদ্যুৎ লাইনের সোলার ব্যবহার করার কথা বলায় ক্ষিপ্ত হয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী অমুল্য সরকারের টেবিলে থাপ্পর মেরে অমূল্য সরকারকে দেখিয়ে দেয়ার হুমকি সহ বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদর্শন করার অভিযোগ উঠেছে দপ্তর থেকে।

 

 

নগরের আমানতগঞ্জ পিডিবি’র দপ্তর থেকে একাধিক কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেনীর কর্মচারীরা জানান, রাজাকারখ্যাত কাক্কা হারুনের ছেলে রুহুল আমিন রুকু সিটি মেয়রের দোহাই দিয়ে গত দেড় বছর যাবত প্রায় সময় অফিসে এসে নিজেকে মেয়রের লোক পরিচয় দিয়ে অবৈধভাবে ঠিকাদারী কাজের জন্য সকলকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে।ইতিমধ্যে নির্বাহী প্রকৌশলী অমূল্য সরকারের কাছ থেকে রুকু একজন মুক্তিযুদ্ধার সন্তান ও সিটি মেয়রের লোক পরিচয় দিয়ে প্রায় ৫লক্ষ টাকার ঠিকাদারী কাজ আদায় করে নেয়ার সুযোগ পেয়ে এখন প্রায় সময় কাজের জন্য দপ্তরের সকলকে অতিষ্ঠ করে তোলার কারনে ও ভয়ে এখন আর কেহ আগের মত দপ্তরে বসে শান্তিতে কাজ করতে পারে না বলেই তারা এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।সূত্রমতে বর্তমান চলতি মাসের ২৪ই জুন সকালে রুকু নগরের জেনারেল হাসপাতাল এলাকার জনৈক এক ব্যাক্তির জন্য থ্রী-ফেইজ লাইনের জন্য তদবির নিয়ে যায় এসময় তার দাবী একরকম মেনে নেয় নির্বাহী প্রকৌশলী অমূল্য সরকার।

 

 

 

এসময় তিনি রুকুকে বলেন থ্রী-ফেইজ লাইন ব্যবহার করতে হলে সোলার ব্যবহার করতে হবে তা নাহলে লাইনের অনুমতি প্রদান করা সম্ভব না।রুকু এত ক্ষিপ্ত হয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী,সহকারী প্রকৌশলী সহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার সামনে টেবিলে থাপ্পর মেরে লাইন দেয়া নাহলে দেখিয়ে দেয়া হবে বলে হুমকি দিয়ে আসেন।এব্যাপারে ওজিপাডিকো বিপণন ও বিক্রয় কেন্দে-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী অমূল্য সরকার বলেন, আমি রুহুল আমিন রুকুকে একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং আমাদের সিটি মেয়রে পরিচয় দিয়ে অফিসে আসলে আমি তার প্রায় আবদার রক্ষা করার চেষ্টা করে গেছি।এমনকি সে আমার কাছ থেকে কয়েকটি ঠিকাদারী কাজ আদায় করে নিছে। ওজিপাডিকোর একটা নিয়ম আছে থ্যী-ফেইজ লাইন ব্যবহার করার ক্ষেত্রে এখানে সোলার সোলার নামের একটা যন্ত্র রয়েছে যা ব্যবহার করতে হবে।একথা বলায় সে ক্ষিপ্ত হয়ে বলে তার লাইনে সোলার ব্যবহার করবে না একথা বলে তার ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে অফিস থেকে বেড় হয়ে যায় এমনকি আমাকে দেখে নেয়ারও হুমকি প্রদান করে।বিষয়টি জানার জন্য রুহুল আমিন রুকুর মুঠো ফোন – ০১৭১৫১৬৯১০৭ নম্বরে একাধিকবার কথা বলার জন্য কল করা হলে তিনি একবারের জন্যও রিসিভ করেন নাই।

 

 

 

এব্যাপারে বরিশাল নগর আমানতগঞ্জ নিবাশী মুক্তিযুদ্ধা ও জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ আনিসুর রহমানের সাথে রুকুর পিতা কাক্কা হারুনের পরিচয় জানতে চাইলে তিনি বলেন কাক্কা হারুন আমাদের আমানতগঞ্জের একজন কলঙ্ক ব্যাক্তি আমি দেশ স্বাধীন হবার পর কয়েকবার ওকে মারতে গেছি সেসময় এলাকার বেশ কিছু লোকের কারনে মারতে পারি নাই।ওকেতো রাজাকার বললে ভুল হবে। ও এমন একটা নরপশু ছিল যে আমাদের বরিশালের বিভিন্ন এলাকার সকাল-বিকাল মেয়েদের নিয়ে পাক হানাদার বাহিনী ক্যাম্পে সরবরাহত।সেময় একজন পিডিবি’র স্টাপ হিসাবে লাইন সারার কারনে অবাধ যাতায়াত ছিল। আমি কয়েকদিন আগে হঠৎি করে এলাকায় একটি বিলবোর্ডে দেখতে পাই কাক্কা হারুনের ছেলে রুহুল আমিন রুকু বরিশাল মহানগর মুক্তিযুদ্ধা সন্তান কমান্ড এর সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছে।বিষয়টি জানার জন্য খোঁজ নিতে থাকি পাক হানাদারকে নারী সরবরাহকারীর পোলা কিকরে মুক্তিযুদ্ধার সন্তান হয় পড়ে কয়েকজনের কাছ থেকে শোনা যায় সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ নাকি এই পদে আনার ব্যবস্থা করে দিয়েছে।

 

 

 

আমি সৈয়দ আনিস আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহর’র রাজনীতি করি এবং আমি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাথে কখনো বঈেমানী করে চলেছি সেই দাগ আনিসের গায়ে নেই তাই কথা বলতে ভয় পাই না আপনারা লেকতে পারবেন কিনা জানি না।আমি আমার একথা তুলে ধরার জন্য অনুমতি দিলাম। আর আজকে অমুক্তিযুদ্ধারা হয়েছে মুক্তি যুদ্ধা এদের কারনেই আমাদের দলের ক্ষতি হতে চলছে এতে আমাদের ক্ষতি করতে বিরোধী দলের লোকের প্রয়োজন হবে না। আমরাই যতেষ্ঠ।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net