সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৮:৫৯

শিরোনাম :
ফ্যাসিস্টদের বিচার হবে, প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ থাকবে না: আইনমন্ত্রী পটুয়াখালীতে আইনজীবী দম্পতিকে কুপিয়ে জখম, মাদক মামলার মূল আসামি গ্রেপ্তার বরিশালে ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল, ছাত্রদল সভাপতির অব্যাহতি দেশের সব জেলা-উপজেলায় তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে: তথ্যমন্ত্রী বরিশালে আন্তর্জাতিক মানের তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বরিশাল শিক্ষা বোর্ড: নবম শ্রেণির নিবন্ধনে বাড়তি টাকা প্রেমের প্রস্তাব ঘিরে ববিতে রাতভর সংঘর্ষ, আহত ২০ বরিশালের পান যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে আগৈলঝাড়ায় জাল দলিলে নামজারি, লিয়াকত হাওলাদারের বিরুদ্ধে জালিয়াতি মামলা সন্তানসহ বিষপান মায়ের, হাসপাতালে শিশুকন্যার মৃত্যু
দক্ষিণাঞ্চলে হবে নতুন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র: প্রধানমন্ত্রী

দক্ষিণাঞ্চলে হবে নতুন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র: প্রধানমন্ত্রী

dynamic-sidebar

অনলাইন ডেস্কঃ রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চলে আরও একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।রোববার সকালে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-১ এ রিঅ্যাক্টর প্রেসার ভেসেল বা পরমাণু চুল্লিপাত্র স্থাপন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে এ তথ্য জানান তিনি।

 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দক্ষিণাঞ্চলে জায়গা খুঁজছি, কিন্তু আমাদের ওখানে আসলে শক্ত মাটি নাই। জায়গা পাওয়া খুব কঠিন দক্ষিণাঞ্চলে। তারপরও আমরা বিভিন্ন দিকে সার্ভে করছি।একটা পাওয়ার প্ল্যান্ট আমরা করব। একটা ভালো জায়গা কোথায় পাইৃ। আমার ইচ্ছা পদ্মার ওপারেই করা। অর্থাৎ দক্ষিণাঞ্চলেই করা। আর একটা পাওয়ার প্লান্ট যদি করতে পারি, তাহলে বিদ্যুতের জন্য আর অসুবিধা হবে না।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মনে করি, এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ যখন ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবেৃইতোমধ্যে আমরা কিন্তু সঞ্চালন লাইন নির্মাণ কাজ শুরু করে দিয়েছি।আমরা আশা করি, ২০২৪ সালের মধ্যে আমাদের এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট হয়ে যাবে। এর মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নতি হবে।’বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে সহযোগিতা করায় রাশিয়া সরকার ও দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

 

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করার পেছনে রাশিয়ার অবদানের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, ‘বন্ধু প্রতীম দেশ তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন, যা বর্তমানে রাশিয়া সর্বতভাবে সেই মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়কাল থেকে বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে সহযোগিতা করেছে।আমাদের চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মাইন তুলতে গিয়ে রাশিয়ার দুজন জীবন পর্যন্ত দিয়ে গেছেন। তাদেরকে আমি স্মরণ করি।’পারমাণবিক কেন্দ্রের ইতিহাস তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ ছিল বঞ্চিত। এই বঞ্চনার ইতিহাস কিন্তু পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।কারণ ১৯৬১ সালে যখন সিদ্ধান্ত হলো এখানে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ হবে তখন পাকিস্তানের সরকার শুধু জমিটায় দিয়েছিল।বাঙালিদেরকে সান্ত্বনা দেয়ার জন্য শুধু জমিটা দেয়া হয়। এর বাইরে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ক্ষীণ উদ্যোগ নেয়নি।

 

 

বরং এর পেছনে যে অর্থ বরাদ্দ ছিল তা পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যায় এবং সেখানে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু করে।’১৯৭০ সালের জাতীয় নির্বাচনে জাতির পিতা এখানে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের দাবি তুলেছিলেন বলে জানান তার জ্যেষ্ঠ কন্যা। বলেন, পাকিস্তানিরা সেই ৬১ সাল থেকে ৭০ সাল পর্যন্ত কিছুই করেনি এখানে। এটাই বাস্তবতা।স্বাধীনতার পর জাতির পিতা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে উদ্যোগ নিয়েছিলেন জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘একদিকে যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ গড়া, অপরদিকে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ অনেক কঠিন ও ব্যয়বহুল ছিল।বাংলাদেশ অ্যাটোমিক এনার্জি কমিশন হিসেবে গঠন করে দেন তিনি। তখন ডক্টর ওয়াজেদ এটার পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনিও অনেক উদ্যোগ নিয়েছিলেন।‘৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যা করার পর এই উদ্যোগটা থেমে যায়।

 

 

সেসময় অনেকগুলো নিয়ম মানতে হতো। জাতিসংঘের অনেক অনুশাসন ছিল সেগুলো সই করতে হতো।জাতির পিতা স্বাধীনতার পরেই আইএইএ-এর সঙ্গে চুক্তি করে ফেলেন। যার ফলে আমাদের এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ক্ষেত্রে অনেক সহজ হয়।’এর আগে প্রধানমন্ত্রী পৌনে ১২টার দিকে পরমাণু চুল্লিপাত্রের স্থাপনকাজ উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, রাশিয়ার পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটমের মহাপরিচালক অ্যালেক্সি লিখাচেভ এবং প্রকল্পের বাংলাদেশি ও রাশিয়ান কর্মকর্তারা।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net