রবিবার, ২রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১১:৫৩

শিরোনাম :
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের ৩ নেতাকে মারধর! বিক্ষোভের মুখে এবার বরিশালের সিভিল সার্জনকে প্রত্যাহার লোডশেডিং ও ‘ভুতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিলে অতিষ্ঠ মেহেন্দিগঞ্জবাসী বানারীপাড়ায় ১৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত অন্তত ২০ বরিশালের ৬ রুটে চলছে বাস ধর্মঘট, যাত্রীদের ভোগান্তি জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের জীবনের অনুপ্রেরণা : বরিশাল সিটি প্রশাসক আদালতের নির্দেশে ২৮টি চোরাই গরু নিলামে বিক্রি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৪ মাস পর গ্রেপ্তার মাদ্রাসাশিক্ষক বরিশালে ২৮০ পিস ইয়াবাসহ মাদককারবারি গ্রেপ্তার

ববি ভিসিসহ প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার অপসারণ

dynamic-sidebar

  • ববির নতুন অন্তর্বর্তী উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম।

এইচ আর হীরা 

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শূচিতা শরমিনকে অপসারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ মে) রাতে শিক্ষার্থীদের অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহারের পর পরই তাকে অপসারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি , বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানি ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদকেও অপসারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব এএসএম কাসেম স্বাক্ষরিত পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপণে তাদের অপসারণ করা হয়।

ববির নতুন অন্তর্বর্তী উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম। তিনি রাবির ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগে শিক্ষকতা করছেন।

এদিকে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য এবং ট্রাজারারকে অপসারণের খবরে আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে। অপসারণ করে প্রজ্ঞাপন জারির পর পরই শিক্ষকরা পানি পান করিয়ে অনশন ভাঙান শিক্ষার্থীদের।

২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের পর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য হিসেবে যোগদান করেন অধ্যাপক ড. শূচিতা শরমিন। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নসহ ২২ দফা দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। পরে ৪ দফা দাবি তোলেন তারা। কিন্তু বার বার আশ্বাস দিয়েও দাবি বাস্তবায়ন করেননি উপাচার্য।

 

বরং আন্দোলন দমাতে প্রথম শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা এবং পরবর্তী থানায় আরও একটি সাধারণ ডায়েরি করান উপাচার্য। এর প্রতিবাদে উপাচার্যের অপসারণে এক দফা দাবি ঘোষণা করেন তারা। দাবি অনুযায়ী সোমবার রাত ১০টা থেকে আমরণ অনশন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যেই প্রশাসনিক বিভিন্ন পদ থেকে পদত্যাগ করেন চারজন শিক্ষক। এর পরও উপাচার্যকে অপসারণ না করায় মঙ্গলবার বিকেল ৫টা থেকে সড়ক অবরোধ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

 

যা চলে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত। অবরোধ শেষ হওয়ার পর পরই আসে ভিসি, প্রো-ভিসি এবং ট্রেজারারকে অপসারণে প্রজ্ঞাপন।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net