শুক্রবার, ৪ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৪:০৫

শিরোনাম :
শেবাচিমে টেকনিশিয়ান ছাড়াই ইসিজি করলেন ট্রলিম্যান, স্বজনদের ক্ষোভ ঝালকাঠিতে দ্বিতীয় স্ত্রীর আঘাতে স্বামীর মৃত্যু ‘চুরির ভয়ে’ মশারি দিচ্ছে না হাসপাতাল, ডেঙ্গু রোগীর পাশে ঝুঁকিতে অন্যরা টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়া প্রমাণ হলে পদত্যাগ করব: বিভাগীয় কমিশনার ৫০০ শয্যার প্রশাসনিক অনুমোদন মিললেও পূর্ণাঙ্গ সেবা এখনও অধরা পটুয়াখালীতে বাসধাক্কায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর বরিশাল সেটেলমেন্ট অফিসে কী হচ্ছে, একজনের জমি আরেকজনের নামে কীভাবে যাচ্ছে ভোলায় অস্ত্র মামলায় কারাগারে বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা শেবাচিমে জ্বালানি সংকটে জেনারেটর অচল, ব্যাহত অস্ত্রোপচার ইলিশ শুধু দেখার মাছ’ দামের কারণে কিনতে পারছেন না ক্রেতারা
প্রশাসনের আশ্বাসে অবশেষে বরিশাল-পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় বাস ধর্মঘট প্রত্যাহার

প্রশাসনের আশ্বাসে অবশেষে বরিশাল-পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় বাস ধর্মঘট প্রত্যাহার

dynamic-sidebar

স্টাফ রিপোটার ॥ প্রশাসনের আশ্বাসে অবশেষে বরিশাল-পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় বাস ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। বরিশাল-ঝালকাঠী রুটেও শুরু হয়েছে সরাসরি বাস চলাচল। বরিশাল-ঝালকাঠী বাস মালিক সমিতির সাথে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের বৈঠক শেষে দাবী মেনে নেওয়ার আশ্বাসে এ ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বাস মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সভা চলছিল। আজ বিকেল ৪ টা থেকে ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। উল্লেখ্য আজ দ্বিতীয় দিনেও বরিশাল-পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় বাস ধর্মঘট বিকাল ৪ টা পর্যন্ত চলছিল। বরিশাল, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলা বাস মালিক শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের ব্যানারে বুধবার (১৪ মার্চ) সকাল থেকে শুরু হওয়া ধর্মঘট দ্বিতীয় দিনের মতো বৃহস্পতিবার (১৫ মার্চ) সকালেও অব্যাহত ছিল। ঝালকাঠী বাস মালিক সমিতির সঙ্গে দ্বন্দ্ব ও পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে গাড়ি থেকে চাঁদা আদায় ও যাত্রী হয়রানির কারণে সৃষ্ট ধর্মঘটের ফলে যাত্রীরা পড়েছেন বিপাকে। গন্তব্যে যেতে না পেরে ভোগান্তিতে পড়েছেন অনেকে। বিশেষ করে পর্যটক কেন্দ্র কুয়াকাটায় আগত পর্যটকরা পড়েছেন দুর্ভোগে। এদিকে বৃহস্পতিবার (১৫ মার্চ) দুপুরে সংকট নিরসনে বিভাগীয় কমিশনার বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা ও ঝালকাঠী জেলার বাস মালিক ও শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক দুপুরের পর শুরু হয়। বরিশাল-পটুয়াখালী মিনিবাস সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাওসার হোসেন শিপন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ঝালকাঠীর সড়ক হয়ে দক্ষিণের ছয়টি রুটে সরাসরি বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। ইতোমধ্যে ঝালকাঠী বাস মালিক সমিতি নলছিটির রায়াপুর নামক এলাকায় অস্থায়ী বাস টার্মিনাল করে। সেখান থেকে তাদের জেলাসহ পিরোজপুর ও খুলনা জেলায় বাস চলাচল করছে। কিন্তু বরিশাল মালিক সমিতির গাড়ি ঝালকাঠী হয়ে অন্যান্য রুটে চলাচল করতে দিচ্ছে না। এনিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হলেও এ সমাধান হয়নি। তাই বুধবার সকাল থেকে বরিশাল থেকে দক্ষিণের ১৭ রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। পটুয়াখালী জেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন মৃধা জানান, বরিশালের সঙ্গে সমন্বয় করে যেহেতু তারা বাস চালনা করেন। তাই সমর্থন দিয়েই পটুয়াখালী বাস মালিক সমিতিও বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে। ধর্মঘটের দাবিগুলোর মধ্যে মির্জাগঞ্জ উপজেলাধীন চান্দুখালী স্থানে কতিপয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও গাড়ি থেকে চাঁদা আদায় ও যাত্রী হয়রানিসহ বরিশাল-পটুয়াখালী-বরগুনা মালিক সমিতির গাড়ি প্রবেশ করতে যে দিচ্ছে না সে বিষয়টিও রয়েছে। বরিশাল বিভাগীয় বাস মালিক-শ্রমিক সমন্বয় ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক শাহিন বলেন, কেউ তার ইচ্ছেমতো নিয়ম বানিয়ে চলতে পারে না। সরকারের নিয়ম-নীতি রয়েছে। সে অনুযায়ী আমরা চলতে চাই। তাই দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net