, ,

শিরোনাম :
সংবাদ প্রকাশের পর বরিশালের সেই বিতর্কিত ওসি’র মিডিয়া পাড়ায় দৌড়ঝাঁপ!

সংবাদ প্রকাশের পর বরিশালের সেই বিতর্কিত ওসি’র মিডিয়া পাড়ায় দৌড়ঝাঁপ!

dynamic-sidebar

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বরিশাল জেলার উজিরপুর থানার বহুল বির্তকিত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শিশির কুমার পাল এখন মিডিয়া কর্মীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে বলে জানা গেছে। আজ উজিরপুর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন বির্তকিত ওসি শিশির পাল।

 

জানা গেছে উজিরপুর প্রেসক্লাব ও রিপোর্টার ইউনিটির মধ্যে ঝামেলার সুযোগ নিচ্ছে ওসি শিশির পাল। স্থানীয় নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করে বলেন, পুরো বিষয়টি নিয়ে যখন সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। তখনেই নিজেকে বাঁচাতে বিভিন্ন মহলে দৌড়ঝাপ করতে দেখা গেছে।

 

তিনি সাংবাদিক দিয়ে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কলম ধরাতে চায়। জানা গেছে থানার মধ্যে প্রকাশ্যে বিধবা বৃদ্ধাকে মারধরের অভিযোগ ওঠা বরিশালের উজিরপুর মডেল থানা পুলিশের ওসি শিশির কুমার পাল ও পুলিশ সদস্য জাহিদের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছেন জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

 

এ ঘটনায় শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বরিশাল জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) নাইমুল হককে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে আগামী ৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

 

এর প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) নাইমুল হক শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনা সম্পর্কে স্থানীয়দের মাধ্যমে খোঁজ খবর নেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) নাইমুল হক জানান, ‘প্রাথমিকভাবে ঘটনা সম্পর্কে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করা যাচ্ছে না।

 

এদিকে বুধবার সন্ধ্যার ওই ঘটনার পরপরই নির্যাতনের শিকার বৃদ্ধা মহিলা থানা সংলগ্ন একটি চায়ের দোকানের সামনে চিৎকার করে কান্নায় ভেঙে পড়লে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসুবকসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে ভাইরাল হয়।

 

এরপরই বিষয়টি নিয়ে বরিশাল জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তদন্ত শুরু করেন। তবে এখনও পর্যন্ত অভিযুক্ত ওসি ও কনস্টেবল বহাল তবিয়তে থাকায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ গোটা বরিশালব্যাপী ঘটনাটি সমালোচনার ঝড় চলছে।

 

এর আগে উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিশির কুমার পালের বিরুদ্ধে গত চারদিন আগে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কাছে নালিশ দেওয়ার অপরাধে গত বুধবার সন্ধ্যায় পুলিশের সাবেক সহকারী উপ-পরিদশর্কের (এএসআই) বিধবা স্ত্রী রাশিদা বেগম (৬২) নামের এক নারীকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া যায়। ওই নারীর অভিযোগ প্রথমে কনস্টেবল জাহিদুল ইসলাম একটি চায়ের দোকানের মধ্যে মারধর করে গালে সিগারেটের আগুন চেপে ধরে ঝলসে দেন এবং ওয়ালে মাথা ঠুকেন।

 

পরে তিনি ওসি শিশির কুমার পালের কাছে অভিযোগ দিতে থানায় গেলে ওসি নিজে তার কক্ষে ওই নারীকে মারধর করে থানা থেকে বের করে দেন ।

 

মাদারীপুর সদর উপজেলার পানিচত্বর এলাকার স্বামী মৃত মোঃ মঈন উদ্দিন মাতবরের স্ত্রী রাশিদা বেগম (৬২) জানান, তার স্বামী মোঃ মঈন উদ্দিন মাতবর বাংলাদেশ পুলিশের একজন সহকারী উপ-পরিদশর্কের (এএসআই) ছিলেন। ২০০৩ সালে দায়িত্ব পালনকালে হরতাল-অবরোধে পরে সন্ত্রাসীদের হাতে গুলি খেয়ে মারা যান। স্বামীর মৃত্যুর কিছুদিন পরে তার দুই ছেলে মারা যায়।

 

পরবর্তিতে ছেলে আল আমিন (২১) ও মেয়ে (১১) তাদের বাবার বাড়ি মাদারীপুরে থাকেন। রাশিদা বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ইচলাদী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ইচলাদি গ্রামের আবুল কালামের ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। গত আগস্ট মাসে তার সপ্তম শ্রেনি পড়ুয়া মেয়ে (১১) তার কাছে (মায়ের) উজিরপুরের ইচলাদি বাসায় বেড়াতে আসে।

 

আগস্ট মাসের ১৩ তারিখে মেয়েকে বাসায় রেখে সে বরিশাল গেলে উজিরপুরের ইচলাদি গ্রামের মৃত রহম অলীর ছেলে বখাটে শুক্কুর আলী (৩২) নেতৃত্বে তার সহযোগী বোরহান হোসেন (৩২), আনিচুর রহমান (৩৮), কালাম হাওলাদার (৪০)সহ ৫/৬ জন বখাটে তার মেয়েকে অপহরন করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় পরের দিন ১৪ আগষ্ট তিনি বাদী হয়ে উজিরপুর মডেল থানায় মামলা দায়েরের জন্য লিখিত অভিযোগ জমা দিলে ওসি শিশির কুমার পাল মামলা রুজু না করে অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৯ আগষ্ট মেয়েকে উদ্ধার করে তাকে (রাশিদাকে) থানায় ডেকে নিয়ে মেয়েকে বুঝিয়ে দেন।

 

মেয়েকে হাতে পেয়ে অপহরনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ওসিকে বললে ওসি রাশিদাকে বলেন আপনার মেয়েকে ফিরে পেয়েছেন মামলার দরকার নেই চলে যান। তিনি থানা থেকে বের হয়ে মেয়েকে নিয়ে বাসায় আসার পথে পূর্বের অপহরনকারী পুনরায় মেয়েকে অপহরন করে নিয়ে যায়। ওই রাতেই থানার ফিরে এসে পুনরায় অপহরনের কথা ওসিকে জানালে ওসি নতুন করে অভিযোগ করতে বললে সে নতুন করে অভিযোগ লিখে জমা দেন।

 

ওই অভিযোগ পছন্দ না হওয়ায় ওসি তা ছিঁড়ে ফেলে আবার নুতন করে অভিযোগ লিখে দিতে বলেন। এভাবে তিনবার অভিযোগ নেন এবং ছিড়ে ফেলেন ওসি। এদিকে আগস্ট মাসের শেষের দিকে অপহরনকারী ও তাদের প্রভাবশালী স্বজন

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net