, ,

শিরোনাম :
চীনের বিনিয়োগ বাড়ানো ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির পদোন্নতি নিয়ে বিদায় নিলেন ড. শহীদ হোসেন, নতুন ডিসি আশরাফুল করিম বৃহস্পতিবার ফেনী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরিশাল অঞ্চলে বিদ্যুৎ ঘাটতি পুনরায় চাহিদার ৪০ ভাগের ওপরে এক দশকে বরিশালে হারিয়েছে ১ হাজারের বেশি পুকুর ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ছাত্রদল নেতা দল থেকে বহিষ্কার সুগন্ধা নদীর ভাঙন : নিঃস্ব শত পরিবার, ঝুঁকিতে বাবুগঞ্জ বাজার-বিমানবন্দর পটুয়াখালীর গলাচিপায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ১৩৫ লিটার চোলাই মদ ও গাঁজাসহ পিতা-পুত্র আটক একসঙ্গে ৬৮ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার করল সরকার নাশকতার মামলায় আ’লীগের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা, বাকেরগঞ্জে চাঞ্চল্য
পটুয়াখালীতে শিক্ষকের বেত্রাঘাতে স্কুলছাত্র হাসপাতালে

পটুয়াখালীতে শিক্ষকের বেত্রাঘাতে স্কুলছাত্র হাসপাতালে

dynamic-sidebar

পটুয়াখালী প্রতিনিধি ॥ পটুয়াখালীর গলাচিপার চরবিশ্বাস জনতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র আবদুল্লাহ আল জিয়াদকে বিদ্যালয়ের শরীর চর্চা শিক্ষক মো. মাইনুদ্দিন বেধড়ক বেত্রাঘাত করেছেন। জিয়াদকে বুধবার (০২ অক্টোবর) সকালে গুরুতর আহত অবস্থায় গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ওই ছাত্রের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় বেতের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সে মানসিক ভাবেও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। জিয়াদের বাবা মোহাম্মদ মুজাম্মেল হাওলাদার একই বিদ্যালয়ের গণিত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক। এ বিষয়ে মুজাম্মেল হাওলাদার সহকর্মী শিক্ষকের বিরুদ্ধে গলাচিপা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, আবদুল্লাহ আল জিয়াদ এ বছর জেএসসি পরীক্ষার্থী। মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে ক্লাস চলাকালীন আকস্মিকভাবে শরীর চর্চা শিক্ষক মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন হাতে বেত নিয়ে ক্লাসে প্রবেশ করেন। কোনো প্রশ্ন না করেই শিক্ষক মাইনুদ্দিন ছাত্র জিয়াদকে বেধড়ক বেত্রাঘাত শুরু করেন। জিয়াদের আর্ত চিৎকারে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ক্লাসে ছুটে এসে শিক্ষক মাইনুদ্দিনকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু এতেও মাইনুদ্দিন ক্ষান্ত হননি।

জিয়াদের বাবা মুজাম্মেল হাওলাদার অভিযোগ করেন, ক্লাস ভর্তি ছাত্রছাত্রীর মাঝে মারধর করায় তার ছেলে মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েছে। সে রাতে লজ্জায় আত্মহত্যারও চেষ্টা করেছে। শারীরিক ও মানসিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় জিয়াদকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক মো. মাইনুদ্দিন বেত্রাঘাতের সত্যতা স্বীকার করে জানান, ওই ছাত্রটি এক ছাত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে। সহকর্মীর সন্তানকে নিজের মনে করে সংশোধনের জন্য একটু মারধর করেছি।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. নাসিরউদ্দিন নেছার একইভাবে বেত্রাঘাতের সত্যতা স্বীকার করে জানান, ঘটনাটি একটু বাড়াবাড়ি হয়েছে। তবে মীমাংসার চেষ্টা চলছে। আর কথিত ছাত্রী চিঠির বিষয়টি অস্বীকার করেছে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ আক্তার মোর্শেদ বলেন, ঘটনাটি জেনেছি। অভিযোগ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আমাদের ফেসবুক পাতা

© All Rights reserved © 2018 KhoborBarisal.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net